• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ভারতকে ন্যাপের সাধুবাদ

Napসিসি ডেস্ক: ভারতের রাজ্যসভার পর লোকসভাতেও স্থলসীমান্ত বিল পাস করায় মোদি সরকারসহ কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস এবং পুরো ভারতবাসীকে অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

শনিবার দলটির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা আশা করি এর ফলে ১৯৭৪ সাল থেকে ঝুলে থাকা ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তর ও অনিষ্পন্ন সীমানা নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন হবে।’

তারা বলেন, ‘দুই দেশের প্রায় ৫২ হাজার ছিটমহলবাসীর নাগরিকত্ব সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে ও বঞ্চনার অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে পশ্চিম বঙ্গ, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত বিরোধ চূড়ান্তভাবে নিষ্পন্ন হবে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘স্থল সীমান্ত বিল আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন পর ভারতের সংসদে বিলটি পাস হয়েছে। এটা অত্যন্ত সুখের। আমরা এ বিল পাসকে সাধুবাদ জানাই। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির পর ওই সমস্যা সমাধানে দীর্ঘদিন পার হয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে অনেক লোকের দুর্ভোগের অবসান ঘটেছে। এর মাধ্যমে পরিচয়হীন ছিটমহলের বাসিন্দারা নিজস্ব পরিচয় পাবে।’

এদিকে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ‘হাউস অব কমন্স’-এর বিজয়ী সংসদ সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ন্যাপ নেতৃদ্বয়।

এক অভিনন্দন বার্তায় তারা যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্স-এ নির্বাচিত ডেভিড ক্যামেরনের নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভ পার্টি, লেবার পার্টি ও স্কটল্যান্ড ন্যাশনালিস্ট পার্টিসহ নির্বাচিত সকল প্রতিনিধিদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলে পরিচিত ব্রিটেনের এ নির্বাচনের মাধ্যমে কনজারভেটিভ দলের নেতৃত্বাধীন সরকার নিজ দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

তারা বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করি নতুন সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ এবং অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সহযোগিতামূলক উন্নয়ন কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে। আশা করি নতুন সরকার বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ