• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ভর্তি পরীক্ষায় বোনকে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় বানালেন বেরোবি শিক্ষক

BRU-Rokeya-EDUসিসি ডেস্ক: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪-১৫ সেশনের সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইসমাইল হোসেন নামের এই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রভাষক।

জানাযায়, ইসমাইল হোসেনের ছোট বোন ইহতিশানুন নিসা ‘ডি’ ইউনিট থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ইহতিশানুন ‘ডি’ ইউনিটে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। ঠিক একই ইউনিটে গণিত বিভাগের শিক্ষক ইসমাইল হোসেন প্রশ্নপত্র মডারেশন কমিটির সদস্য ছিলেন। এ কারনেই শুরু হয় সমালোচনা।

অনেকেই অভিযোগ করেন, ইসমাইল হোসেন তার বোনকে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেছেন। আর শুধু তাই নয় তার আরও একাধিক নিকটাত্বীয় ‘ডি’ ইউনিটে উত্তীর্ণ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে কোনো শিক্ষকের পরিবারের কোন সদস্য বা নিকটাত্বীয় ভর্তি প্রার্থী হলে সেই শিক্ষক ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো কমিটিতে থাকতে পারবেন না। কিন্তু এই শিক্ষক শুধু ভর্তি পরীক্ষা কমিটিতেই নন, প্রশ্নপত্র মডারেশন কমিটির সদস্যও ছিলেন।

এই অভিযোগের  ব্যপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি কোনো দুর্নীতি করিনি। আমার বোন মেধা ও যোগ্যতা বলে উত্তীর্ণ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিয়োগ পেয়েছি, তাই এ নিয়মটি আমার জানা ছিল না। এ কারণেই আমি পরীক্ষা কমিটিতে ছিলাম।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. একে এম নূর-উন-নবী বলেন, এই শিক্ষক কোনও দূর্ণীতি করেননি। তবে তার পরীক্ষার্থী আছে এমন সংবাদ জানা না থাকার কারণে তাকে পরীক্ষা কমিটিতে রাখা হয়েছিল।

এদিকে একজন নবীন শিক্ষককে প্রশ্নপত্র মডারেশন কমিরি সদস্য করায় বিভিন্ন মহলে চলছে সমালোচনার ঝড়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে ছেলে খেলায় মেতেছেন। উপাচার্য সবসময় সিনিয়র শিক্ষকদের অবজ্ঞা করে আসছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অযোগ্যতা ও দূরদর্শীতার কারণে এ ঘঁনার জন্ম বলে দাবি করেন তিনি।

উৎস: উত্তর বাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ