পার্বতীপুর প্রতিনিধি: পার্বতীপুরে ৩৩ লাখ টাকা ছিনাতাই ঘটনার তিন দিন পর পুলিশ ১জনকে গ্রেফতার করেছে। যুবলীগ নেতাসহ অন্যান্য ছিনতাইকারীরা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। ছিনতাইকারীদের ধরতে না পারায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি খোয়া যাওয়া বিপুল পরিমান টাকা।
রবিবার রাত সাড়ে ৯টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্বতীপুর সৈয়দপুর মহা সড়কের চৌমুহনি নামক স্থান থেকে এজাহারভুক্ত আসামী বকুল চৌধুরিকে গ্রেফতার করা হয়। পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ আলম জানায় গ্রেফতারকৃত উপজেলার বড় চন্ডিপুর ইউনিয়নের আঃ ছাত্তারের পুত্র বকুল চৌধুরী স্বীকার করেছে সে এ ঘটনার সাথে জড়িত। অন্যান্যদের গ্রেফতার বিষয়ে একাধিক পুলিশের দলের অভিযান অব্যহত আছে। টাকা উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি জানান, মামলা তদন্তের স্বার্থে বলাটা সমুচীন নহে। আজ সোমবার দুপুরে মুকুলকে দিনাজপুর আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরির্দশক আব্দুল মতিন জানান, গ্রেফতারকৃত বকুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পার্বতীপুর শহরের উপকন্ঠে ছিনতাই হওয়া ব্যবসায়ীর ৩৩ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিন দিন অতিবাহিত হলেও যুবলীগ নেতা আরিফ হোসেন চৌধুরিসহ অন্যান্যরা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।
রবিবার দুপুরে দিনাজপুর পুলিশের এএসপি সুশান্ত সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলেছেন। তবে পুলিশ বলছে ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের সনাক্ত করা হয়েছে। যে কোন সময় তারা আইনশৃংখলা বাহিনীর জালে আটকা পড়বে বলে তিনি জানান।
উলে¬খ্য, গত শনিবার সকাল ৯টার দিকে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ব্যবসায়ী হযরত আলী ও রনি ৪১ লাখ টাকা নিয়ে সৈয়দপুর ইসলামী ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন। এ সময় পার্বতীপুরের হলদীবাড়ী রেল গেট চন্ডিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আরিফ চৌধুরী ও হলদীবাড়ীর,দোলাপাড়া গ্রামের পুলিশের সোর্স নুরুল আমিনের পুত্র গোলাপ হোসেন, লুৎফর রহমানের পুত্র খতিবর রহমান খতু, ঝাড়–য়ার ডাঙ্গা হাই স্কুলের অফিস সহকারী বকুল চৌধুরি ও মোটর সাইকেল মেকার রাজুসহ কমপক্ষে ৮-১০ জন ছিনতাইকারী হিলি হাকিমপুরের ব্যবসায়ী হযরত আলী ও তার কর্মচারী রনিকে কুপিয়ে ব্যাগে থাকা ৩৩লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায়।
এব্যাপারে রবিবার রাতে হযরত আলী বাদী হয়ে ৫জনের নামসহ আরও অজ্ঞাত নামা ৮/১০জনকে আসামী করে মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।