নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনার প্রধান আসামি বাসচালক চাঁন মিয়া ওরফে চান্দু নিজের দোষ স্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম শফিকুল ইসলামের আদালতে বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান দ্য রিপোর্টকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার ১৬ দিন পর বুধবার রাতে সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ড থেকে চান্দুকে সোনারগাঁ থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মঞ্জুর কাদের জানান, ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার বাসচালক নিজের দোষ আদালতে স্বীকার করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় দিয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে এ ঘটনায় রুবেল নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চরকামালদি এলাকার বালুর মাঠে গত ১১ মে রাতে আড়াইহাজার উপজেলার ফকির ফ্যাশন গার্মেন্টের শ্রমিকরা বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে অন্য শ্রমিকরা তাদের গন্তব্যে নেমে যাওয়ার পর বাসের চালক, হেলপার ও তার দুই সহযোগী মিলে এক নারী শ্রমিককে গণধর্ষণ করে। পরে ওই নারী শ্রমিককে অচেতন অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায় ধর্ষকরা।
এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার নারী শ্রমিকের বাবা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় বাসচালক চান্দু মিয়াসহ চারজনের নামে মামলা করেন।
ঘটনার পরদিন পুলিশ বাসের হেলপার রুবেলসহ বাসটি আটক করে। ১৩ মে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয় হেলপার রুবেল