• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তিস্তার দুঃখে এরশাদের চোখে অশ্রু

Arsadসিসি ডেস্ক: তিস্তার দুঃখে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের চোখে অশ্রু ঝরে। আর তা কবিতায় ভাষায় সংসদকে জানিয়েছেন নিজেই।

মঙ্গলবার বিকেলে দশম জাতীয় সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ভারতের লোকসভায় স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ভারতীয়দের ধন্যবাদ জানাতে সংসদে আনীত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন এরশাদ। কার্য দিবসের শুরুতে চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

লোকসভায় স্থল সীমান্ত চুক্তি পাস হওয়াকে বিরল ঘটনা উল্রেখ করে এইচ এম এরশাদ বলেন, অন্যদের স্বার্থ রক্ষায় নিজ দেশের সংবিধান সংশোধন এটা বিরল ঘটনা। ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভা সেই বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিকে এতদিন যারা গোলামি চুক্তি বলেছেন, এ চুক্তি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে তাদের মুখে ছাই পড়েছে।

এ সময় নিজের লেখা একটি কবিতার দুটি চরণ আবৃত্তি করে তিনি বলেন, ‘‌তিস্তার বুকে গরুর গাড়ি, দুঃখে আমার অশ্রু ঝরে।’ তবে তিস্তার বুকে আর গরুর গাড়ি চলবে না। তিস্তা আবার ছলছল, কলকল করে বয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে এরশাদ বলেন, ‘এরমধ্যে দিয়ে শেখ হাসিনার ব্যক্তিজীবন নয়, অসংখ্য মানুষের জীবন সফল করেছে। শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এই চুক্তি বাস্তবায়নে আমি নিজেও চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। ৪১ বছর ধরে চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি। এবার তা হয়েছে। এর মাধ্যমে দুদেশের সর্ম্পকে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ