• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নিরাপত্তায় মোদির সাহায্য চাইছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা

MODI-16ঢাকা: বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হবেন মোদি এই আশা করছেন এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায়। সরকারি বার্তা সংস্থা পিটিআই’য়ের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে কলকাতার বাংলা দৈনিক ‘বর্তমান’। রোববার ‘সুরক্ষা নিয়ে সরব হোন মোদি, চাইছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পত্রিকাটি আরো বলছে, সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের হাতে ক্রমাগত লাঞ্ছিত হওয়ার ভয় নিয়ে তাদের দিন কাটাতে হচ্ছে বলে বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা তাদের জানিয়েছে।

শনিবার দুদিনের সফরে বাংলাদেশ পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সফরের পূর্ব মুহূর্তে নিরাপত্তা নিয়ে সরব হয়েছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান যৌথ সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাসগুপ্ত জানিয়েছেন, ধর্মীয় সংখ্যাগুরু ও মৌলবাদীরা চাইছে হিন্দুরা যে দেশে জন্মেছেন ও বড় হয়েছেন, সে দেশ ছেড়ে চলে যাক। এ কারণেই প্রতি মুহূর্তে তাদের হাতে অত্যাচারিত হওয়ার শঙ্কায় থাকতে হচ্ছে হিন্দুদের। তিনি বলেন, হিন্দুরা মনে করে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তি হিসাবে তাদের অবস্তার উন্নতির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে ভারত। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না-ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি এমন একটি কড়া বার্তা বাংলাদেশের মৌলবাদীদের দিক, চাইছেন হিন্দুরা।

নাট্যকর্মী পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ও এমনটি চান। তিনি চান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনার সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিশেষ করে হিন্দুদের অবস্থা সম্পর্কে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকার যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করে। কিন্তু আমরা মনে করি এই ব্যাপারে যদি মোদি পদক্ষেপ নেন তবে এটা আরো ভালো হবে ।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা পঙ্কজ দেবনাথ জানিয়েছেন,‘আমরা মনে করি যদি উভয় দেশ একসঙ্গে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ধর্মীয় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের সন্ত্রাসের মোকাবেলা করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণের ঘটনার সমাধান সম্ভব হবে। বাংলাদেশের মানুষ শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শেই বাঁচতে চায়।

‘আজকাল’ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা প্রকান্তরে স্বীকার করে নিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রীরা। তবে তাদের দাবি, বিএনপি জামানার চেয়ে হিন্দুরা এখন অনেক ভালো আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, প্রতিটি দেশেই সংখ্যালঘুরা আতঙ্কে থাকেন। এটি স্বাভাবিক মানসিক সমস্যা। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ধর্ম নিরপেক্ষ সরকার। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যেই পড়ে। এটি আমাদের কর্তব্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ