সিসি নিউজ: টানা বর্ষণ আর উজানের পাহাড়ী ঢলে বৃদ্ধি পেয়েছে তিস্তা নদীর পানি। শনিবার দুপুর তিনটা থেকে নদীর পানি তিস্তাা ব্যারাজের নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টের বিপদ সীমার (বিপদ সীমা ৫২ মিটার দশমিক ৪০সেন্টিমিটার) চার সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নীলফামারী পানি উনয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূবাভাস ও সর্তকীকরণ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান,
টানা বৃষ্টিপাত আর উজানের পাহাড়ী ঢলের কারণে বৃহস্পতিাবর সন্ধ্যা ৬টা থেকে বাড়তে থাকে তিস্তা নদীর পানি। যা আজ শনিবার দুপুর ৩টার দিকে তিস্তা ব্যারাজের বিপদ (বিপদ সীমা ৫২ মিটার দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার) সীমার ৪ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
যে ভাবে উজান থেকে পানি নেমে আসছে তাতে আরো বাড়বে নদীর পানি। ধাপে ধাপে পানি বৃদ্ধি পাওয়া পানি নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যারাজের সব ক’টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে এবং সাবির্ক খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে নদী সংলগ্ন এলাকা গুলোর।
এদিকে তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করায় নদীর র্তীরবর্তি নীলফামারী ডিমলা উপজেলার বাইশপুকুর, কিসামত ছাতনাই, পূর্বছাতনাই ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর, বাঘেরচর, টাবুর চর, ভেন্ডাবাড়ী, ছাতুনামা, হলদিবাড়ী, একতারচর, ভাষানীর চর, কিসামতের চর, ছাতুনামা এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী চরগ্রামে নিম্নাঞ্চল গুলো প্লবিত হয়েছে।
নীলফামারী ডিমলা উপজেলার পূর্ব-ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, নদীর পানি বিপদসীমার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর আশেপাশের চরগ্রামের নিম্নাঞ্চল গুলো প্লাবিত হলেও এসব এলাকার মানুষের বাড়িঘরে পানি ওঠেনি। এমনকি এখন পর্যন্ত এসব এলাকা থেকে তেমান কোন দূর্ভোগের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে একই উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইবনে ফয়সাল মুন জানান, শনিবার সকালে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে গয়াবাড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের উত্তর গয়াবাড়ি গ্রামটি প্লাবিত হয়। এতে ওই গ্রামের অন্তত ১৭৩টি পরিবারের মানুষ হাটুপানিতে বন্ধি হয়ে রয়েছে। পানিতে প্লাবিত হয়ে ওই গ্রামের নিচু রাস্তা-ঘাট পানির নিচ ডুবে থাকায় পরিবার গুলোর সাময়িক দূর্ভোগে পড়েছে। তবে এসব পরিবারের বাড়িঘরে এখনও পানি উঠেনি।
অপর দিকে জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুল জানান, টানা বষনে ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউনিয়নের কয়েকটি নিম্নাঞ্চল সামন্য প্লাবিত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।