• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

অবশেষে আদালতের দ্বারস্থ যমজ কন্যার মা

JomojKonna1434532198আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে এক যমজ কন্যাসন্তানের মাকে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হতেই হলো। যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় প্রায় ৭মাস ধরেই নির্যাতন-গঞ্জনার শিকার হচ্ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর এই গৃহবধূ। একপর্যায়ে তিনি আদালতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে বাধ্য হলেন।

হুগলীর ত্রিবেণীর নিরঞ্জন পল্লীর বিজলি রায় নামে ওই গৃহবধূর বিয়ে হয় ২০১১ সালে। স্বামী অমিত রায়ও হুগলীর সোনারপুরের নয়াবাগের বাসিন্দা। গত বছরের নভেম্বরে যমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন বিজলিদেবী। তখন থেকেই শুরু হয় নির্যাতন। ক্রমেই নির্যাতনের মাত্রা এতটাই ছাড়িয়ে যায় যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দুই সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতেই রয়েছেন বিজলি দেবী। গতকাল মঙ্গলবার তিনি চুঁচুড়া আদালতে স্বামী এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নামে অভিযোগ দায়ের করেন।

বিজলিদেবী বলেন, ‘দুই মেয়ের জন্ম দিয়ে কী অপরাধ করেছি? ওদের জন্মের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা আমাকে এড়িয়ে চলছিল। কোন ওখানে আমার উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালাচ্ছিল। তাই বাপের বাড়ি চলে আসি। মেয়েদের কথা ভেবেই আদালতে গিয়েছি।’
স্থানীয় সূত্র মতে, বিয়ের পর থেকে অমিতের সঙ্গে বিজলিদেবীর সম্পর্ক ভালই ছিল। দুই মেয়ের জন্ম দেওয়ার পর থেকেই অমিত এবং তার পরিবারের লোকেরা বিজলিদেবীর প্রতি খড়গ হয়ে ওঠে।

বিজলিদেবীর বাবা বলেন, ‘মেয়েদের খাবারের ব্যবস্থাটুকুও জামাই করত না, এতটাই নিষ্ঠুর ছিল।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ