ঢাকা: দেশের বর্তমান মজুত গ্যাস আগামী ১৬ বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। একই সময়ের মধ্যে ধীরে ধীরে গ্যাসের সরবরাহও কমে যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
রবিবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সরকারি দলের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে প্রাথমিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস ছিল ২৭.১২ টিসিএফ (ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট)। এর মধ্যে ২০১৫ সালের মে পর্যন্ত ১২.৯৬ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। ১৪.১৬ টিসিএফ গ্যাস মজুত আছে।
তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে ৮১৫.৯৮ বিসিএস (বিলিয়ন কিউবিক ফুট) উত্তোলন করা হয়েছে। গ্যাস উত্তোলনের এই হার অব্যাহত থাকলে মজুত গ্যাস ২০৩১ সাল পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
একসঙ্গে গ্যাসে চাপ কমে যাওয়ার কারণে গ্যাস ফিল্ডগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাবে বলেও জানান নসরুল হামিদ।
জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশে বর্তমানে ভাড়ায় নির্মিত ৩১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ২,১৩৭ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৪টি রেন্টাল ও কুইক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৭৪৮.৫০ মেগাওয়াট এবং ১৭টি কুইক রেন্টাল কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩৮৮.৫০ মেগাওয়াট।
মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা যাবে। বর্তমানে বিদ্যুতের সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৭৪ ভাগ