ডিমলা প্রতিনিধি: ছিটমহলের জনগণনার ষষ্ঠ দিন শনিবার নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার অভ্যান্তরে থাকা ১০টি পরিবারের ৩৮ জন সদস্য নিবন্ধন করেছেন। এদের মধ্যে ২৮ নম্বর ছিটমহলে ১টি পরিবারের ৫ সদস্য, ২৯ নম্বর ছিটমহলে ৪ পরিবারের ১৮ জন সদস্য,৩১ নম্বর ছিটমহলে ৫ পরিবারের ১৫ জন সদস্য রয়েছে। এদের মধ্যে শুধু ৩১ নম্বর নগর জিগাবাড়ি ছিটমহলে একটি হিন্দু পরিবারের ৫ সদস্য ভারতের নাগরিকত্ব চেয়ে নিবন্ধন করছে। বাকী ৯ পরিবারের ৩৩ সদস্য বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চেয়ে নিবন্ধনে অংশ নেন বলে সংশ্লিষ্ট জরিপকারীদের সুত্রে জানানো হয়েছে।
এদিকে ছিটমহলের জনগণনায় এদিন নীলফামারীর চারটি ছিটমহলের জনগণনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সন্দ্বীপ মিত্র। এ সময় তিনি ভারতীয় জরিপকারীদল ও ছিটমহলের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন এবং জরিপ কাজের অগ্রগতির সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন ডিমলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গণ।
প্রকাশ থাকে যে নীলফামারীতে চারটি ছিটমহলের মধ্যে গত ৮ জুলাই ৩০ নম্বর বড়খানকীবাড়ি গীতালদহ ছিটমহলের সর্বমোট ৮ পরিবারের ৪২ সদস্য এবং শনিবার ১১ জলাই ২৮ নম্বর বড়খানকীবাড়ি খারিজা ছিটমহলের সর্বমোট ২১ পরিবারের ৯৫ জন সদস্যের সকলের নিবন্ধন সম্পন্ন করা হয়। এখন বাকী ২৯ বড়খানকী খারিজা গীতালদহ ও ৩১ নম্বর নগর জিগাবাড়ী ছিটমহলের বাকী থাকা বাসিন্দাদের জনগণনা ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করা হবে। সুত্র মতে ৬ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত চারটি ছিটমহলে ১১১টি পরিবারের ৫০২ জন সদস্য জনগণনায় অংশ নিয়ে নিববন্ধন করেছে।
ছিটমহলের জনগণনার ষষ্ঠ দিন শনিবার নীলফামারীতে ১০টি পরিবার নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে ২৮ নম্বর ছিটমহলে একটি পরিবারের ৫ সদস্য, ২৯ নম্বর ছিটমহলে ৪ পরিবারের ১৮ জন সদস্য ৩১ নম্বর ছিটমহলে ৫ পরিবারের ১৫ জন সদস্য সহ ৩৮ জন নিবন্ধন করেন। এদের মধ্যে শুধু ৩১ নম্বর নগর জিগাবাড়ি ছিটমহলে একটি পরিবার ভারতের নাগরিকত্ব চেয়ে নিবন্ধন করলেও বাকী ৯ পরিবার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চেয়ে নিবন্ধনে অংশ নেন বলে সংশ্লিষ্ট জরিপকারীদের সুত্রে জানানো হয়েছে।