সিসি নিউজ: নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারী কারিগরী কলেজের মেধাবী ছাত্র সিরাজুন মনির খাঁন সাকিব হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। মঙ্গলবার সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের সামনে ওই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা এ মানববন্ধন করে।
সকাল ১১টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুমিন, জুয়েল, আসাদ, স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন পরিবর্তন চাই’র মনিরুজ্জামান, রটারেট’র সাব্বির আহমেদ, নেটওয়ার্ক অব ইয়াং নীলফামারী’র রাফসান, ঢাকাস্থ ছাত্র কল্যাণ সমিতি’র নাজির আহমেদ, ছাত্র মৈত্রী’র শরিফুল আলম মিলু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাকির হোসেন বাদল, ওয়াকার্স পার্টির রুহুল আলম মাষ্টার, বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগের জাহাঙ্গীর হোসেন, বন্ধুসভার মেহেদি হাসান রানা প্রমুখ।
বক্তারা সাকিব হত্যাকান্ডের দীর্ঘ এক মাস অতিবাহিত হলেও এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় প্রশাসনের প্রতি ক্ষুব্ধ মনোভাব ব্যক্ত করেন। সেই সাথে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১৪ জুন শনিবার গভীর রাতে সৈয়দপুর টেকনিক্যাল কলেজপাড়া এলাকার ভাড়া বাসার একটি কক্ষ থেকে সৈয়দপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র এবং নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ পাঠানপাড়ার বাসিন্দা নীলফামারী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক কার্যালয়ের বিক্রয় সহকারী আলহাজ্ব হাবিবুর রহমানের পুত্র সাকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়। 
সাকিব ওই প্রতিষ্ঠানে ভর্তির পর থেকে সৈয়দপুর শহরের কলেজপাড়ায় একটি ভাড়া বাাড়িতে বাবা-মা’র সঙ্গে থাকতো । শুক্রবার সকালে ভাড়া বাসায় সাকিব কে একাই রেখে বাবা-মা তাদের ছোট মেয়েকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যান।তারা সেখান থেকে পরদিন শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে সাকিবের বাবা মা সৈয়দপুর ভাড়া বাড়িতে ফিরে আসেন। বাড়িতে এসে বাইরে থেকে ছেলে সাকিবকে ডাকতে থাকেন। কিন্তু কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায় তারা বাসার পেছনের দরজা খোলা পেয়ে বাসার ভেতর প্রবেশ করে ঘরে ভেতর ছেলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় তারা। খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।
এ ঘটনায় ওই সাকিবের বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।