• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ছিটমহলের জনগণনার চুড়ান্ত তথ্য প্রকাশ

LALMONIRHAT-Sitmohol-Pic-1নীলফামারী : নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার অভ্যান্তরে থাকা ৪টি ছিটমহলনের জনগননায় সরকারীভাবে চুড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম চুড়ান্ত তথ্যটি সাংবাদিকদের জানান। এতে জনগণনায় ৪টি ছিটমহলের ১১৯টি পরিবারে ৫৪৫জন জনসংখ্যা পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে কেউ ভারতে যেতে আবেদন করেনি। তারা সকলে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকতে চেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, ২০১১ সালের ১৫ জুলাই হতে ১৮ জুলাই পর্যন্ত জনগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় বাংলাদেশের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার অভ্যন্তরে ৪টি ছিটমহলের জরিপে ১১৯টি পরিবারের ৫০৬ জন জনসংখ্যা ছিল। যার মধ্যে পুরুষ ২৫৮জন ও নারী ২৪৮ জন।

২০১৫ সালের ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত জনগণনায় ১১৯ টিপরিবারের সংখ্যা ঠিক থাকলেও জনসংখ্যা ৩৯ জন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৮১ ও নারী ২৬৪ জন। এবারের জরিপে শিশু জন্ম ,বিয়ে সুত্র ও মৃত্যুর হিসাব যোগ বিয়োগ করা হয়। বিয়ের কারনে যেসব মেয়ে ছিটমহলের বাহিরে বাংলাদেশের ভুখন্ডে চলে গেছে তাদের জরিপে বাদ দেয়া হয়েছে। আবার বাংলাদেশের ভুখন্ড থেকে ছিটমহলে যে সব মেয়েদের বিয়ে হয়েছে তাদের এই জরিপে সংযুক্ত করা হয়। এ ছাড়া অনেকে মৃত্যু বরন করায় তারাও বাদ গেছে জরিপে।

সুত্র মতে ২০১১ সালে ২৮ নম্বর বড়খানকীবাড়ী ছিটমহলে ২১ পরিবারে পুরুষ ৪৩, নারী ৪৩ সহ ৮৬ জন সংখ্যা ছিল। এবারের জরিপে এই ছিটমহলে পরিবারের সংখ্যা ঠিক থাকলেও ৩ জন বৃদ্ধি পেয়ে মোট জনসংখ্যা দাঁিড়য়েছে ৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৫ ও নারী ৪৪ জন।

২৯ নম্বর বড়খানকীবাড়ি গিদালদহ ছিটমহলে ২০১১ সালে ৪৫ পরিবারে জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষ ৯২ জন ও নারী ৯৪ জনসহ ১৮৬ জন ছিল। এবারে জনসংখ্যা ৮ জন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৪ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ জন ও নারী ৯৮ জন।

৩০ নম্বর বড়খানকীবাড়ী খারিজা গীতালদহ ছিটমহলে ২০১১ সালে ৮জন পরিবারে জনসংখ্যা পুরুষ ১৯ ও নারী ১৮সহ ৩৭ জন ছিল। এবার জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২৪ জন ও নারী ১৮ জন।

৩১ নম্বর নগর জিগাবাড়ি ছিটমহলে ২০১১ সালে ৪৫টি পরিবারের জনসংখ্যা ছিল ১৯৭ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১০৪ জন ও নারী ৯৩ জন। ২০১৫ সালের জরিপে এখানে জনসংখ্যা ২৩ জন বৃদ্ধি পেয়ে মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২০ জনে। এরমধ্যে পুরুষ ১১৬ জন ও নারী ১০৪ জন।

ডিমলা উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানায়,২০১১সালের চেয়ে চলতি বছর ৩৯জন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৫ সালের জনগননায় পুরুষ ২৮১ ও নারী ২৬৪ জন। তারা সকলে বাংলাদেশের থাকার জন্য স্বাক্ষর করেছেন।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ