ভোলা: টানা বর্ষণে ভোলার মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, পুকুর ও মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন অনেকেই।
রোববার সকাল থেকে টানা বর্ষণ ও সেই সঙ্গে জোয়ারের পানি যুক্ত হয়ে এসব এলাকার ২-৩ ফুট পানিতে তলিয়ে যায়।
জোয়ারের পানিতে সদরের রামদাসপুর, নাছির মাঝি, মাঝের চর, দৌলতখানের হাজিপুর, মেদুয়া, নেয়ামতপুর, বোরহানউদ্দিনের চর জহির উদ্দিন, মনপুরার কলাতলী, ঢালচর, সোনার চর, লালমোহন উপজেলার কচুয়াখালীর চর ও চরফ্যাশন উপজেলার কুকরী-মুকরী, ঢালচর ও চর পাতিলা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
ভাটার পর কোথাও কোথাও পানি সরে গেলেও অনেক স্থানে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হেকিম জানান, রোববার মেঘনার পানি বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়েছে। এতে কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।