• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খানসামায় শিক্ষকের স্কেলের ঢিলে শিক্ষার্থী রক্তাক্ত

6d2ca5f6ab59db4f4bf7a68fceb44cbb-22সিসি নিউজ: দিনাজপুরের খানসামায় প্রাক-প্রাথমিকের এক শিক্ষকের হাতে থাকা স্কেলের ঢিলে শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

সূত্র মতে, উপজেলার আলোকঝাড়ি-২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষক মীর্জা সামসুল ইমাম গত রোববার ২য় শ্রেনীর ক্লাস নিচ্ছিলেন। এ সময় এক শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং জানতে চাইলে পাশে বসা রাব্বী নামের এক শিক্ষার্থী প্রম্নটির উত্তর দেয়। এতে ওই শিক্ষক ক্ষেপে গিয়ে তার হাতে থাকা স্টিলের স্কেল দিয়ে রাব্বীকে ঢিল মারে। এতে কোমরে পিছনে আঘাত পেয়ে শ্রেনী কক্ষে ঢলে পড়ে শিশুটি। পরে ক্ষত স্থান থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলেও শিক্ষকরা আহত শিশুটিকে কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় পরদিন রাব্বীর বাবা হামিদুল ইসলাম নিজে বাদী হয়ে ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই স্কুলের ক’জন অভিভাবক জানান, শিক্ষককের আচরন যদি এমন হয়, তাহলে কার ভরসায় স্কুলে সন্তান পাঠাবো। কোমলমতি ওই শিশুটি উত্তর দেয়ায় তাকে ভৎসণা নয়, বরং তাকে আরো উৎসাহিত করা উচিত ছিলো ওই শিক্ষককের। এমন শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন।

রাব্বীর বাবা হামিদুল ইসলাম সিসি নিউজকে জানান, আঘাত করার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ আমার ছেলের কোন চিকিৎসা বা সান্তনা কিংবা আমার পরিবারকে না জানানোর কারনে অমানবিক মনের ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে আবেদন করেছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমার ছেলের ক্ষত স্থানে এখনও ব্যাথা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা আকতারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছি, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানি না।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক মীর্জা সামসুল ইমামের ব্যবহারিত মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য জানা যায়নি।

কথা হয় খানসামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দস সালামের সাথে। তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার জানান, ওই দিনই (সোমবার) সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোকছেদুল গণি রাব্বু শাহের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সুরাহা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ