• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ইউএনও রাসেল মনজুরের মাদক সেবন অভিযোগে তদন্ত কমিটি

Dinajpur-UNOসিসি নিউজ: দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল মনজুরের বিরুদ্ধে মাদক সেবন করার অভিযোগের ঘটনায় প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটিকে অবিলম্বে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। অন্যদিকে বীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাবেক এমপি মো.আমিনুল ইসলাম নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল মনজুরের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দয়ের করেছে।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম তদন্ত কমিটি গঠনের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা প্র্রশাসক আবু রায়হান মিয়াকে এ তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি স্পর্শকারত তাই অবিলস্বে তাকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ দিকে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল মনজুরকে ইয়াবা ও ফেন্সিডিল সরবরাহকারী হিসেবে আটক সরবরাহকারী মেহেদি হাসান রবিনকে জেল-হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। বীরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের ম্যানেজার মোঃ সাঈদ সিদ্দিকী মিলন বাদী হয়ে আটক যুবক রবিনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-১৩। এ দিকে এ প্রতিবেদক এ বিষয়ে অনুসন্ধান করায় পাওয়া গেছে চমকপ্রদ তথ্য।

একজন রাসেল মনজুর। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। অবস্থান দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা। উপজেলা প্রশাসন দেখভাল থেকে শুরু করে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটী ক্ষমতা আছে তার। ইতোমতো বেশ কয়েকজন মাদক সেবী ও মাদক বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা নিয়েছেন তিনি। কিন্তু যখন তার বিরুদ্ধেই মাদক সেবনের অভিযোগ ! তাও আবার যেনোতেনো মাদক নয়,ইয়াবা আর ফেন্সিডিল নিয়মিত সেবন করেন তিনি। রয়েছে এমন অভিযোগ। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাদক সংগ্রহ করেন নির্দিষ্ট মাদক সরবরাহকারীর কাছ থেকে। সুদূর বগুড়া থেকে তার জন্য ইয়াবা আর ফেন্সিডিল আনা হয় দিনাজপুরের বীরগঞ্জের কর্মস্থলে। ওই মাদক সররবাহকারী বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ধরাও পড়েছেন। রয়েছেন জেল-হাজতে। ইয়াবাকে তিনি সংকেতে বলেন “গুটি” আর ফেন্সিডিলকে বলেন “ ওষুধ”। তার মাদক পৌছাতে কখনও দেরী হলে তিনি অশালীনভাবে গালাগালও করেছেন মাদক সরবরাহকারীকে। আবারও কখনও বলেছেন, “আয় রে সোনা আয়, তাড়াতাড়ি আয়,আমার মাথা ঘুরছে,শরীরটা ভালো না,আয় নিয়ে আয়, আমি তোকেও খাওয়াবো”। ইত্যাদি- ইত্যাদি–। অনেক কথাই হয়েছে মোবাইল ফোনে। কিন্তু এসব কথা তার নয় বলে তিনি অস্বীকার করেছেন। বর্তমানে তিনি নিজের মনপুত সাংবাদিক ছাড়া অন্য কোন সাংবাদিকের ফোন রিসিভ করছেন না। নিজের লোক ছাড়া দেখাও করছেনা কারো সাথে।

বীরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের ম্যানেজার মোঃ সাঈদ সিদ্দিকী মিলন বাদী হয়ে আটক যুবক রবিনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-১৩। তারিখ-১৭/০৯/১৫ইং।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুর জানান, সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক নাটক সাজিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ