ঢাকা : বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় দ্বিতীয় ধাপে আরো ২৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান থানায় মামলাগুলো করেন দুদকের অনুসন্ধান দলের সদস্যরা।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, বিকেলে মামলা করতে দুদক কর্মকর্তারা রাজধানীর তিনটি থানায় যান। সেখানে ২৩ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল আরো মামলা দায়ের করার কথা রয়েছে।
এর আগে এই ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় ৬৬০ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৯ টাকা আত্মসাতে প্রথম ধাপে মোট ১৫৩ আসামির বিরুদ্ধে ১৮ মামলা দায়ের করে দুদক।
মামলায় ব্যাংকটির প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফখরুল ইসলামসহ মোট ১৫৩ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ১৮ মামলায় অধিকাংশই একাধিক মামলার আসামি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশান, মতিঝিল ও রমনা থানায় এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়। তবে মামলায় আসামির তালিকায় নেই ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই ওরফে বাচ্চু। এমনকি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেরও কোনো সম্পৃক্ততা পায়নি দুদক।
দুদক দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ওই ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়।
বেসিক ব্যাংকের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। নানা চড়াই-উৎড়ায় পেরিয়ে পাঁচবার অনুসন্ধান টিম পুনর্গঠন হয়। সর্বশেষ দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের দল অনুসন্ধান কাজ শেষ করেন।