গাইবান্ধা : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নে মারিয়া গ্রামে এক কলেজ ছাত্রী (১৯) ধর্ষিত হয়েছে। সে গোবিন্দগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের ছাত্রী। ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগিতায় করায় পুলিশ ঠান্ডা মিয়া (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানা সুত্রে জানা গেছে, গত বেশকিছুদিন থেকে ওই ছাত্রীর প্রতিবেশি ডালিম মিয়া মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু মেয়েটি তাতে রাজি হচ্ছিল না। কারণ ইতিপূর্বে ডালিমা মিয়া তিনটি বিয়ে করে এবং বউগুলো তাকে জ্বিনের বাদশা এবং মাদক ব্যবসায়ির কারণে ত্যাগ করে চলে যায়। গত সোমবার কলেজ যাওয়ার পথে এলাকার ওই চিহ্নিত সন্ত্রাসী কথিত জ্বিনের বাদশা ডালিম মিয়া (২৫) তার পথরোধ করে তাকে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী ঠান্ডা মিয়ার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে ধর্ষক ডালিম মিয়া এবং তাকে সহায়তাকারি ঠান্ডা মিয়া ও তার স্ত্রী বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে লোকজন মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌঁছিয়ে দেয়।
এ নিয়ে এলাকার প্রভাবশালীরা বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়েটির বাবা আশরাফ মন্ডল এতে সম্মত না হয়ে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় ডালিম মিয়া, ঠান্ডা মিয়া ও তার স্ত্রী ফুলী বেগমকে আসামি করা হয়।
পুলিশ গতকাল বুধবার দুপুরে এলাকার একটি গোপন স্থান থেকে ঠান্ডা মিয়াকে আটক করে। অপরদিকে বুধবার গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।