• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডিমলায় ভিজিএফের চাল বিক্রি করে দিয়েছে চেয়ারম্যান

indexসিসি ডেস্ক:  ঈদ উপলক্ষে দুঃস্থ্যদের জন্য বিনামূল্যে বিতরনের বরাদ্দকৃত ভিজিএফের ৫০ কেজি ওজনের ১৬৩ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মিন্টু বিরুদ্ধে ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই পরিমান চালের বস্তা ইউপি চেয়ারম্যান স্থানীয় ৬ জন চাল ব্যবসায়ীর কাছে ৫০ হাজার ৬৫০টাকায় বিক্রি করেন। এ ঘটনায় বুধবার ভিজিএফের চাল বিতরনের সময় এলাকাবাসী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে বিচার দাবি করেছে। পাশাপাশি ইউপি সদস্যরা চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দূর্নীতির কারনে চাল বিতরন বর্জন করে।

সুত্র মতে ওই ইউনিয়নে ভিজিএফের কাডের মাধ্যমে পরিবার প্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরনের জন্য সরকারের ত্রান দপ্তর হতে ৮ হাজার ১৬১ জনের জন্য ৮১ দশমিক ৬১ মেট্রিক টন ( ৫০ কেজি ওজনের এক হাজার ৬৩৩ বস্তা) চাল বরাদ্দ প্রদান করে। এর মধ্যে ইউপি চেয়ারম্যান ৮১৬ টি কাড তার পকেস্থ্য করে । নিয়ম অনুযায়ী এই চাল ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিতরন করতে হবে। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান সেটি না করে বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর বিতরনের সময় ইউপি চেয়ারম্যানের কালো বাজারে ১৬৩ বস্তা চাল বিক্রির ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়লে ইউপি সদস্যরা চাল বিতরন বর্জন এবং এলাকাবাসী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে বিচার দাবি করে।

নাম প্রকাশ না করার সর্ত্বে এক ব্যবসায়ী বলেন ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু একসাথে ১৬১ বস্তা চাল বিক্রি করেন স্লিপের মাধ্যমে। যেমন একবস্তা (৫০ কেজি) চাল পাবেন ৫ জন ভিজিএফ কাড ধারী। সেখানে ইউপি চেয়ারম্যান কালোবাজারে বিক্রিত চালের জন্য প্রতিবস্তা উত্তোলনে একটি করে স্লিপ দেন। সেখানে লিখে দিয়েছেন তিনি এক বস্তা চাল পাবেন। এভাবে তিনি ১৬১ বস্তার জন্য পৃথক পৃথক স্লিপ করে দেন। যাতে চাল বিতরনের সময় সহজে উত্তোলন করা যাবে। কারন এক সাথে ইউনিয়ন পরিষদের গুদাম থেকে ১৬১ বস্তা ট্রাকে নিয়ে গেলে হাতে নাতে ধরা পড়ার ভয় থাকে। তাই ইউপি চেয়ারম্যান এই বুদ্ধি করে চাল বিক্রি করেন।

এদিকে চাল বিতরনে জন্য সেখানে উপস্থিত থাকা ডিমলা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ভিজিএফের ট্যাক কর্মকর্তা মকবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান চাল বিতরন করবেন কি করবেন না সেটি দেখার দায়িত্ব তার নয়। তাহলে তিনি এখানে কেন বসে রয়েছেন জানতে চাইলে ট্যাক কর্মকর্তা বলেন এর জবাব আমি সাংবাদিকদের দিতে বাধ্য নই।

নাউতরা ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মিন্টু কালোবাজারে ১৬১ বস্তা চাল বিক্রি করা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। এ সময় সাংবাদিকরা কালোবাজারে চাল বিক্রির হিসাবের কাগজ ইউপি চেয়ারম্যানকে দেখানো হলে তিনি বলেন কার হিসাব কে দেখে।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, চাল বিতরনে অনিয়ম বন্ধ করতে সরকারী কর্মকর্তা সেখানে তদারকি করছে। চাল বিক্রির বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ