চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার রাণীরবন্দর এলাকায় দেহ-ব্যবসার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন ৪ মহিলাকে আটকে পুলিশে সোপদ্দ করেছে।
সুত্র জানায়, উপজেলার খামার সাতনালা গ্রামের আব্বাস আলীর পুত্র মোঃ আব্দুল মজিদ তার বাড়িতে (রাণীরবন্দর সুইহারী বাজারের চিরিরবন্দর রোর্ডের পার্শ্বে) দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন এলাকার মহিলাদের নিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। গত মঙ্গলবার বিকাল অনুমান সাড়ে চারটায় ওই বাড়িতে অপরিচিত ৪ জন মহিলা প্রবেশ করলে এলাকার সচেতন লোকের বিষয়টি টেরপেয়ে তাদেরকে আটক করে নানা প্রশ্ন করে। এতে তাদের দেহ-ব্যবসার বিষয়টি জানতে পারা যায়। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত লোক ভীড় জমায়। তাদেরকে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। রাত প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে থানা হেফাজোতে নিয়ে যায়। এ চক্রের মুল হোতা কুড়িগ্রাম জেলার রাজার হাট উপজেলার শখের হাট এলাকার মহসিন ও তার স্ত্রী আফরোজা বেগম। এ সময় কৌশলে মহসিন পালিয়ে যায়। বাড়ি মালিক আব্দুল মজিদ গ্রামের বাড়ি সাতনালাতে অবস্থান করে।
পুলিশ ওই বাড়ি থেকে মহসিনের স্ত্রী আফরোজা বেগম (২৮), নীলফামারী সৈয়দপুর চিনা মসজিদ এলাকার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী রেহানা বেগম (২২), ঢাকা কোনাবাড়ি কাদের মার্কেট এলাকার মমিনুলের স্ত্রী জয়নব বেগম (২০) ও সৈয়দপুর ষ্টেশন এলাকার মাহমুদের কন্যা ছায়মা বেগম (২০) কে আটক করে। এ সময় ছায়মা বেগম দেহ ব্যবসার বিষয়টি স্বীকার করে।
জানা গেছে, বাড়ি মালিক আব্দুল মজিদ ও মহসিন মিলে দীর্ঘ দিন ধরে নানা কৌশলে স্থানীয় ও বাইরের যুবকদের নিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। গত সপ্তাহে জৈনক দূর্গাডাঙ্গা গ্রামের এক শিক্ষকের ২৫ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেল তারা ছিনিয়ে নেয়। ওই বাড়িতে জুয়া ও মদের আসর বসে বলেও প্রকাশ পাচ্ছে। এভাবে আব্দুল মজিদ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবী আব্দুল মজিদকে গ্রেফতার করলে আরো অজানা তথ্য বেড়িয়ে আসবে।