• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

স্কুল অনুপস্থিত, তবুও মাসের বেতন উত্তোলন

unnamedচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুর চিরিরবন্দরের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৬ মাস ধরে স্কুল না করে গ্রেফতারী পরোয়ানা মাথায় নিয়ে বেতন উত্তোলন করে বহাল তবিয়তে পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে চলাচল করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেও কোন কাজ হচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানাগেছে, উপজেলার সিংগানগর মোল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৬ মাস ধরে স্কুল না করেও যথারীতি বেতন উত্তোলন করে আসছে। প্রকাশ থাকে যে, ওই শিক্ষক দ্বিতীয় বিবাহ করে উপজেলার নশরতপুর গ্রামের মৃত লালচানের মেয়ে হাচেনা বেগমকে। বিবাহের ৩/৪ মাস ধরে হাচেনা বেগমের বাড়িতে অবস্থান করে সংসার চালানোর পর হঠাৎ সটকে পড়ে। এ ঘটনায় হাচেনা বেগম তার গ্রামের বাড়িতে গেলে মামুনুর রশিদের প্রথম স্ত্রীসহ তিনি নিজে মার-ধর ও নির্যাতন করে। এতে দ্বিতীয় স্ত্রী হাছনা বেগম আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-২৬০/১৪ এবং ভরণ পোষণ, যার নং-০৩/১৫ মামলা দায়ের করে। মামলা দু’টিতে মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে গত ৭ মাস পূর্বে আদালত কর্তৃক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়। কিন্তু মামুনুর রশিদ গ্রেফতারী পরোয়ানার তোয়াক্কা না করে পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে চলা ফেরা করছেন এবং স্কুল না করে যথারীতি বেতন উত্তোলন করে চলছে। এছাড়াও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহাদৎ হোসেন গত ২৫ আগষ্ট ১৫ খ্রি. তারিখে স্কুল পরিদর্শনে এসে ওই শিক্ষকে বেতন-ভাতা বন্ধসহ সাময়িক বরখাস্ত করেন।
তার দ্বিতীয় স্ত্রী হাচেনা বেগম  তার অনুপস্থিত ও গোপনে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন উত্তোলন বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। হাছনা বেগম আরো জানায় উপজেলার কালুপীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল হালিম শিক্ষা অফিসের যোগসাযোসে অভিযুক্ত শিক্ষককে পূর্বের সকল প্রকার রেজিষ্টার সরিয়ে নতুন রেজিষ্টার তৈরির মাধ্যমে বেতন উত্তোলন ও চাকুরি বহালের কাগজ তৈরি করতে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করছে। এ ব্যাপরে হাছনা বেগম অভিযুক্ত মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ