• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চিরিরবন্দরে ফায়দা লুটলো মিল মালিক ও গুদাম কর্মকর্তারা

অনিয়মচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: সরকারি বিধি মোতাবেক সারা দেশের খাদ্য গুদামগুলোতে ধান, চাউল, সংগ্রহ করা হচ্ছে। অথচ দিনাজপুর চিরিরবন্দর খাদ্য গুদামে অধিক মুনাফার আশায় ধানের পরির্বতে খাদ্য গুদামে  চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব খাদ্যগুদামে প্রতিদিন চাল সংগ্রহ করা হলেও জায়গা নেই বলে ধান সংগ্রহ করা হয় না। অপরদিকে খাদ্যগুদামগুলোতে চাষিরা ধান বিক্রি করতে না পেরে চরম হতাশায় ভুগছেন। ফলে, বাধ্য হয়ে সস্তা দরে ধান বিক্রি করে নিস্ব হয়ে পরেছে কষকেরা। এতেকরে একদিকে যেমন কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য না পেয়ে মারাত্মক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে। অন্য দিকে কৃষি বান্ধব সরকারের উজ্জল ভাব মূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এ নিয়ে উপজেলার ১২ উপজেলার কৃষকদের মাঝে  চাপা ক্ষোপের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১ মে থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ধান চাল কেনার কথা থাকেও নতুন উপজেলা খাদ্য নিযন্ত্রক গত এক সপ্তাহে রাতারাতি ধান কিনে গুদাম ভরাট করেন।
প্রকাশ থাকে যে, এ বছর প্রতি কেজি ধান ২২ টাকা ৩ শত ৫৯ মেঃ টন এবং ৩২ টাকা কেজি দরে ৭ হাজার ৪ শত ৬৫ মেঃ টন চাল ক্রয় করার কথা থাকলেও চাল কেনার ফলে জায়গা সংকটের কারণ দেখিয়ে কালক্ষেপন করেন। কিন্তু ভুক্তিভোগী কৃষকেরা অভিযোগ করে বলেন খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ চাল কল মালিকদের সাথে আতাঁত করে অধিক মুনাফার আশায় বর্তমানে চাল সংগ্রহ করছেন। খাদ গুদাম কর্তৃপক্ষ বস্তা প্রতি চাল ৫০ থেকে ৭০ টাকা করে নিয়ে খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযোগে জানা গেছে কর্তাব্যক্তিরা কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করলে কোন টাকা পাবে না। বিধায় জায়গা সংকটের অজুহাত দেখিয়ে কালক্ষেপন কররেও হঠাৎ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান কিনে রাতারাতি খাদ্যগুদাম ভর্তি করেন কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে রাণীরবন্দর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা মাজেদুলের সাথে কথা হলে তিনি জানান, উপরের নির্দেশ মত ধান কেনা হচ্ছে। পরে উপজেলা খাদ্য নিযন্ত্রক আবু হেনা মোস্তফা কামালের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, জায়গা সংকটের কারনে পুরোধান কেনা সম্ভব হচ্ছে না। রাণীরবন্দরে ৭১ মেঃ টন, আমবাড়ি খাদ্য গুদামে ১৫ মেঃ টন এবং চিরিরবন্দর খাদ্য গুদামে কোন ধান সংগ্রহ হয়নি।

চাঁদাবাজি মামলা করায় নিরাপত্তাহীনতায় বাদীর পরিবার
দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার মাংস বিক্রেতা নরেশ চন্দ্র রায় চাঁদাবাজি মামলা করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।
মামলার বিবরণে জানাগেছে, উপজেলার নানিয়াটিকর (কাচারী দিঘীপাড়া) গ্রামের মৃত-রাজেন্দ্র নাথ রায়ের পুত্র নরেশ চন্দ্র রায় (৭০) দীঘৃদিন যাবৎ কোতয়ালী থানাধীন পাঁচবাড়ী বাজারে মাংসের ব্যবসা করে আসছে। উক্ত এলাকায় ব্যবসা ও বাড়ী অন্য থানার সুবাদে কোতয়ালী থানার পাঁচবাড়ী (মহাসট্রি) গ্রামের লুৎফর রহমানের পুত্র মোকছেদুর রহমান, নারায়নপুর গ্রামের জাবেদ আলীর পুত্র মাহফুজার রহমান ও মতিয়ার রহমান প্রায় সময় তার ব্যবসা কেন্দ্রে এসে বিভিন্ন প্রকার হুমকি চাঁদা দাবী করে। গত ২ অক্টোবর শুক্রবার ব্যবসার উদ্দেশ্যে পাঁচবাড়ী যাওয়ার প্রাক্কালে পাঁচবাড়ী নতুন ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে নদীর পাড়ে পৌছামাত্র আসামীগণসহ অজ্ঞাত আরো ৩ থেকে ৪ জন লাঠিসোটা, লোহার রড়, চাকু ইত্যাদি নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পথ রোধ করিয়া ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা রড় দিয়া আঘাত করে জখম করে। এসময় তার ছেলে দুলাল রায় আসামীদের বাধা দিলে তাকেও মারধর করে। তাদের চিৎকারে এলাকার লোক দৌড়ে আসে এবং তারা পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় পকেটে থাকা ১৪ হাজার ৫’শত টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে দৌড়ে আসা লোক জন নরেশ চন্দ্র ও তারে ছেলে দুলাল চন্দ্রকে চিরিরবন্দর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। এব্যাপারে নরেশচন্দ্র বাদী হয়ে চিরিরবন্দর থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। যার নং-০৩। মামলা করার পর থেকে বাদী ও তার পরিবারকে আসমীগণ বিভিন্ন ভাবে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছে। বাদীর পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ