সিসি নিউজ: সৈয়দপুর হিন্দু কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় ৮৮তম কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা এবার পালিত হবে শহরের শহীদ তুলসীরাম সড়কস্থ সদর ফাঁড়ির সামনে নোয়া সিটি সেন্টার প্রাঙ্গণে। এজন্য মন্ডপ সজ্জায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে মৃত্তিকা শিল্পীরা ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করেছেন। দুই-একদিনের মধ্যেই শুরু হবে রংতুলির কাজ। মহাসমারোহে আগামী ১৯ অক্টোবর দেবী বোধন তথা মহা ষষ্ঠীপূজার মধ্যদিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে।
সৈয়দপুর হিন্দু কল্যাণ সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট তুষার কান্তি রায় বলেন, কেন্দ্রীয় দুর্গোৎসব উৎযাপনে নিজস্ব কোন জায়গা না থাকায় স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সাবেক বিমান অফিসের পেছনে প্রায় কয়েক যুগ অনুষ্ঠিত হয়। এবারে নোয়া সিটি সেন্টারে মহাসমারোহে পুজিত হবেন দেবী। হিন্দু কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমিত কুমার আগরওয়ালা নিক্কি বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ডপকে সাজানো হচ্ছে বর্ণিল সাজে। এরই মধ্যে অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সানন্দে ভক্ত ও পূজারিগণ যেন পুজা অর্চনা করতে পারেন এ জন্য ব্যাপক পরিসরে বসার জায়গা করা হয়েছে। আমরা চাই- মহামিলনের আনন্দে ভরে উঠুক গোটা মন্দিরাঙ্গন। বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সভাপতি রাজ কুমার পোদ্দার রাজু ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক রঞ্জন কুমার রায় নোয়া সিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় পুজা মন্ডবে কড়া নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে বলেন, দুর্গাপূজার ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক ও সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে। জাতীয় জীবনে এর রয়েছে সার্বজনীন বাঙালি সংস্কৃতির মিলনোৎসব হিসেবে গুরুত্ব। শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নেপালনে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতিক, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তারা। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবোধ চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক যোগেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ধর্ম যার যার- উৎসব সবার। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় ও কল্যাণপ্রয়াসী। এ কারণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যাবতীয় শুভবোধ, কল্যাণকর তৎপরতা আর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে থেকে নোয়া সিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় পুজা মন্ডপসহ উপজেলার সকল মন্ডপে জনগণের সার্বিক সহযোগিতা করা আবশ্যক।