পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায় উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের শায়েস্তাপুর গ্রামের সাজু মিয়ার কন্যা রিক্তা খাতুন (২২) এর সঙ্গে একই গ্রামের বাদশা মিয়ার পুত্র সোহেল মিয়া ২৬ এর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের প্রেমের সম্পর্কের ঘটনা এলাকায় ফাঁস হয়ে পড়লে বিভিন্ন জটিলতার এক পর্যায়ে তাদের অভিভাবকদের পরামর্শ ও আলোচনা সাপেক্ষ্যে গত ৮ মাস পূর্বে তাদের বিবাহ হয়। গ্রামবাসী জানায় বিবাহের পর থেকেই ওই গৃহবধুর উপর অমানবীক নির্যাতন করতে থাকে তার শাশুরি মোকছেদা বেগম। তিনি ওই গৃহবধুকে কয়েকবার হত্যার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে গত শুক্রবার সকাল থেকে ওই গৃহবধূর বাড়িতে তার শাশুরীসহ তার বোন রূপালী বেগম মিলে ওই গৃহবধূকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মর্মে উপস্থিত এলাকার লোকজন জানায়। এলাকাবাসী আরও জানায় ওই দিন বিকালে উক্ত গৃহবধুকে হত্যার গর তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এবং ওই গৃহবধূ আত্বহত্যা করেছে মর্মে গুজুব ছড়ায়। ৬ ফিট উচু টিনের (ছাপড়া) ঘরে এবং দেয়াল ও শয়ন চৌকি ঘেষে কি ভাবে গলায় ফাঁসী দিয়ে এক জন লোক আত্বহত্যা করতে পাড়ে এ প্রশ্ন এলাকাবাসীর। পরবর্তীতে ওই গৃহবধূর লাশ বাড়ি থেকে ভ্যান যোগে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর মাঝে উক্ত ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়লে ঘটনা বেগতিক দেখে ওই গৃহবধুর খালা শাশুরী লাশ ভ্যানে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে উক্ত ঘটনার বিষয়ে অবগত করলে তিনি বিষয়টি থানা পুলিশ কে আবগত করেন চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ মর্গে প্রেরন করেন। এঘটনায় রিক্তা বেগমের পিতা সাজু মিয়া বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ পত্র দাখিল করে। এব্যাপারে থানা ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা রোজাউল করিমের সাথে কথা হলে তিনি জানায় হত্যা না আত্বহত্যা পোস্টমর্টেম রির্পোট না পাওয়া পর্যন্ত কিছূ বলা যাচ্ছেনা।