সিসি ডেস্ক: ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপারেশন) মারুফ হাসান সাংবাদিকদের বলেন, শুদ্ধস্বর প্রকাশনী কার্যালয়ে বই কেনার নাম করে একে একে তিন যুবক প্রবেশ করে। তারা প্রথমে বিভিন্ন বই দেখতে শুরু করে। এরপর সংঘবদ্ধ হয়ে হঠাৎ করে হামলা চালায়। তবে এ সময় হামলাকারী ও আহতরা ছাড়া আর কেউ ভেতরে ছিল না।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাজধানীর লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহতদের দেখে বের হয়ে এসে তিনি এ সব কথা বলেন।
মারুফ হাসান বলেন, ‘আহতদের আমরা দেখেছি। তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তবে তারিক রহিমের অবস্থা একেবারেই গুরুতর। তার মাথা, ঘাড় ও দুই হাতে গুরুতর আঘাত রয়েছে। এ ছাড়া কোমরের ওপরের অংশে একটি গুলির দাগ পাওয়া গেছে। ডাক্তার এখনো কিছু বলতে পারছেন না।’
তিনি বলেন, ‘বই কেনার নাম করে তিন যুবক প্রকাশনীর ভেতরে প্রবেশ করে এ হামলা চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছেন। র্যাব, পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সিআইডির সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন।
‘এর আগে ব্লগারদের যেভাবে কোপানো হয়েছে, আর আজকে যাদের কোপানো হয়েছে, তার ধরন একই ধরণের।’
তবে কি কাউকে সন্দেহ করছেন- এ প্রশ্নের উত্তরে মারুফ হাসান বলেন, ‘সে রকম বলার সময় এখনো আসেনি। তদন্ত চলছে, বলার সময় হলেই তা প্রকাশ করা হবে।’
শনিবার বিকেলের দিকে মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া এলাকায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে প্রকাশকসহ তিন ব্লগারকে চাপাতি দিয়ে কোপায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।