সিসি ডেস্ক: বর্তমান সরকার দেশের আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী পুলিশ বাহিনীকে আধুনিকায়ন করাসহ এ বাহিনীতে আরো ৫০ হাজার জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, ওই পরিকল্পনার আওতায় পুলিশ বিভাগের সকল ইউনিটসহ জেলা পুলিশের আওতাধীন ইউনিটসমূহের জনবল বৃদ্ধির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ডিএমপি, সিএমপি, বিএমপি, এসবি, সিআইডি, রেলওয়ে, হাইওয়ে, ৯টি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ৭টি রেঞ্জ অফিস, ৮ম এপিবিএন এবং মাদারীপুর জেলা পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রধানন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গরাবাজার’ নামে নতুন থানা প্রতিষ্ঠা এবং পুলিশ বাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামোতে ২টি অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (গ্রেড-২) পদ সৃজনের মঞ্জুরি প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে রংপুর ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং জঙ্গি দমনে বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পূর্ববর্তী মেয়াদে ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে বিভিন্ন পদবীর মোট ৩১ হাজার ৭৪৪টি পদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর পদকে ২য় শ্রেণির পদ থেকে ১ম শ্রেণির নন-ক্যাডার এবং এসআই/সার্জেন্ট/টিএসআই পদকে ৩য় শ্রেণির পদ থেকে ২য় শ্রেণির পদে উন্নীত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেনিং পলিসি প্রণয়ন, বর্ধিত জনবলের প্রশিক্ষণের জন্য নতুন আরো ৪টি পিটিসি নির্মাণ, রিক্রুট কনস্টেবলের মৌলিক প্রশিক্ষণকাল ৬ মাসের পরিবর্তে ১ বছরে উন্নীতকরণ, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ‘মিড ক্যারিয়ার ট্রেনিং প্লান’ এবং বাস্তব কাজের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন ট্রেনিং ম্যানুয়েল সংশোধন করা হচ্ছে।
বাসস