• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে আলু চাষীদের বিক্ষোভ: হিমাগারে তালা

বিক্ষোভসিসি নিউজ: কর্তৃপক্ষের অনিয়মে হিমাগারে রাখা আলু বীজ তুলতে না পেরে হিমারগার ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে শতশত আলুচাষী। আজ শনিবার (১৪ নভেম্বর) জেলা শহরের অদুরে চাঁদের হাট এলাকায় অংকুর সীড এন্ড হিমাগার নামে ওই প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে।

আলুচাষীদের অভিযোগ, হিমাগারের নিয়ম মেনে বীজের আলু রেখোছিল সেখানে তারা। এখন ওই বীজ নেয়ার জন্য সাত দিন আগে হিমাগারের নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করে তারা। এরপরও আলু সরবরাহ করছেন না কর্তৃপক্ষ।

জানা যায় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে(রাকাব) ওই হিমাগারের ঋণ রয়েছে। সময় মতো তা পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেখানে তালা দিয়ে হিমাগারটি তাদের নিয়ন্ত্রনে নিয়েছে।

জেলা সদরের কচুকাটা গ্রামের আলুচাষী আপন কুমার সরকার,খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের খালশাপচা গ্রামের আলু চাষী বিমল চন্দ্র রায় সহ শতশত আলু চাষীরা জানান, তারা‘জমিতে আলু আবাদের জন্য আলু বীজ রেখেছিল এই হিমাগারে। আলু উত্তোলনের জন্য সাত তিন আগে আলুর ভাড়ার টাকা পরিশোধ করলে শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত হিমাগার থেকে ওই আলু সরবরাহ করা হয়নি।

রামনগর উনিয়নের চাঁদের হাট গ্রামের আলু ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন,‘হিমাগারে কৃষকদের রাখা ২২০ বস্তা আলু বীজ কিনেছি আমি। সে আলু আমি অন্য জনের কাছে বিক্রী করেছি ইতিমধ্যে। এখন ভাড়া পরিশোধ করে ওই আলু হিমাগার থেকে উত্তোলনের জন্য দিনের পর দিন ধর্ণা দিচ্ছি। এরপরও সরবরাহ পাচ্ছি না। হিমাগার কর্তৃপক্ষ এখন আমার কাছে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা দাবি করছে।

সাংবাদিকরা হিমাগার চত্ত্বরে গেলে দায়িত্বশীল কোন ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। তবে সহকারী স্টোর কিপার মোরসালীন ইসলাম বলেন,‘হিমাগারে রাখা ৯৬ হাজার বস্তা আলুর বিপরীতে প্রতিবস্তায় নয়শ টাকা করে ঋণ রয়েছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের নীলফামারী শাখায়। ব্যাংকে যে পরিমান টাকা জমা করা হয় ওই পরিমান টাকার আলু হিমাগার থেকে বের করার অনুমতি দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এব্যাপারে রাকাবের নীলফামারী শাখার ব্যবস্থাপক সফিকুজ্জামান বলেন,‘ওই হিমাগারে গচ্ছিত আলুর ওপর ব্যাংকের প্লেস ঋণ রয়েছে। প্রতিদিন গচ্ছিত আলুর বিপরীতে ঋণের টাকা জমা হলে সে পরিমান আলু হিমাগার থেকে বের করে দেই আমরা। এভাবে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। ওই হিমাগারে প্রতি বস্তা ৮০০ টাকা হিসেবে ৮৫ হাজার ৫০০ বস্তা আলুর বিপরীতে ঋণ রয়েছে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে ওই ঋণের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাকাবের নীলফামারী শাখার সিনিয়র কর্মকর্তা নাসিরুল ইসলাম শনিবার বিকেলে বলেন, বিকেল সাড়ে তিনটায় হিমাগার কর্তৃপক্ষ ওই ঋণের বিপরীতে ৪৫ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা করেছেন। এখন আমরা সেখানে সম পরিমান টাকার আলুর বস্তা বের করে দিব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ