সিসি ডেস্ক: বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আউটপুট এডিটর জাকারিয়া মন্ডল এখন দিনাজপুর জেলে। ১৫ নভেম্বর বিকেলে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট রেজাউল বারী এর বিচারিক অাদালত যৌতুক নিরোধ আইনের ৪ ধারায় জাকারিয়া মন্ডলের ৪ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকার জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডের রায় ঘোষনা করেন। কোট পুলিশ আসামীকে দিনাজপুর কারাগারে তাকে প্রেরন করেছে।
জাকারিয়া মন্ডল বিরামপুর শহরের মৃত মফিজ মন্ডলের পুত্র এবং পলিপ্রয়াগ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান তোসাদ্দেক হোসেন তোছার জামাতা। জাকারিয়া মন্ডলের স্ত্রী তৌফিকা আরমান কেয়া গর্ভবর্তী থাকাকালে যৌতুক নিয়ে আসতে বাড়ী পাঠায় জাকারিয়া। এর মাঝে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার কাগজ পাঠায় দীর্ঘ ৭ মাস পর। এর প্রতিকার চেয়ে জাকারিয়া মন্ডলের শ্বশুর তোসাদ্দেক হোসেন তোছা দিনাজপুর আদালতে মামলা করেন (মামলা নং ২০১/পি/২০১০)। দীর্ঘ ৫ বছর বিচার কার্য চলার পর বিজ্ঞ আদালত এ রায় ঘোষনা করেন।
রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মামলার বাদী তোসাদ্দেক হোসেন তোছা বলেন, আসামী নিজেকে বড়মাপের সাংবাদিক জাহির করে অপরাধ মূলক কাজ করার পরও সাংবাদিক সমাজ তাকে সংশোধনের উদ্যোগ না নিয়ে বরং সায় দিয়ে গেছে। বিজ্ঞ আদালত কোন কিছুতে প্রভাবিত না হয়ে যে ন্যায় বিচার করেছেন, তার জন্য আদালতকে কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সাংবাদিক সমাজ জাতির বিবেক। সেই সমাজকে জাকারিয়া কলঙ্কিত করার পরও বাংলা নিউজ যদি জাকারিয়ার পাশে দাড়ায় তবে পাঠকদের কষ্ট বাড়বে।
তিনি মিডিয়া কর্মীদের প্রতি আহবান জানান, যৌতুক লোভি জাকারিয়া মন্ডলের প্রতি সমর্থন না জানিয়ে ধিক্কার জানানোর।
জাকারিয়ার দেয়া তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী তৌফিকা আরমান কেয়া বলেন, যৌতুক লোভি জাকারিয়া তার ও আমার একমাত্র সন্তানকে একটি বারও খোজ নেওয়ার প্রয়োজন করেনি। বরং হুমকী অব্যাহত রেখেছিল। বাবার বাড়ীর বোঝা না হয়ে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিয়ে কন্যাকে সুনাগরিক করে তোলার ব্রত নিয়েছেন। তিনি এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।