• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্রাণভিক্ষা চাইলেন সাকা-মুজাহিদ

Mujahid-Sakaসিসি নিউজ: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন।

কারাগারে অবস্থানরত দুই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তারা লিখিতভাবে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন। শনিবার দুপুরে কারা কর্তপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আজই প্রাণভিক্ষার আবেদন দুটি রাষ্ট্রপতির কাছে নেওয়া হবে।

এদিকে শনিবার দুপুরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, প্রাণভিক্ষার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রাণভিক্ষার আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।

কারা সূত্র জানায়, সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না, তা জানতে সকালে কারাগারে যান দুই ম্যাজিস্ট্রেট। দীর্ঘক্ষণ কথোপকথন শেষে সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদ প্রাণভিক্ষার সিদ্ধান্ত নেন।

যদিও মুজাহিদের ছেলে আলী আহমেদ মাবরু তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘প্রাণভিক্ষার প্রশ্নই আসে না। তার বাবা প্রাণভিক্ষা চাইতে পারেন না।’

অন্যদিকে সাকা চৌধুরীর আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান আল ফেসানী কারা ফটকে বেলা পৌনে ২টায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাকা চৌধুরী প্রাণভিক্ষা চাইবেন না, এটা তার পরিবারের সদস্যরা আগেই আমাকে জানিয়েছেন।’

দুপুরে আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের স্ত্রী তামান্না জাহান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘তার স্বামী মুজাহিদ যেহেতু ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত, তাই তার বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় অন্য কোনো মামলায় ফাঁসি কার্যকর করা হলে তা হবে নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন।’ তাই সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রপতি কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তানভির হোসেন ও আশরাফ হোসেন কারাগারে প্রবেশ করেন। সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না, তা জানতেই তারা কারাগারে যান।

সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের করা ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন গত বুধবার (১৮ নভেম্বর) সর্বোচ্চ আদালতে খারিজ হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার সেই রায়ের অনুলিপি কারাগারে পৌঁছায়। ওই রাতেই সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদকে রায় পড়ে শোনানো হয়। তারা প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন কি না, সে ব্যাপারে জানতে চাইলে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত না জানিয়ে সময় নেন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের কাছে আরো একবার এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তখনো তারা কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শনিবার দুপুরে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানান সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ