• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

শিক্ষার্থীর মার্কশিট বিষয়ে রায় আপিলে বহাল

হাই কোর্টসিসি নিউজ: শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীকে নম্বরপত্র দিতে হবে মর্মে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

রাষ্ট্রপক্ষের করা লিভ টু আপিল নিস্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ গতকাল রোববার এই আদেশ দেন।

সোমবার আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন রিটকারী আইনজীবী এ কে এম সালাউদ্দিন খান। এর আগে গত ২১ এপ্রিল রিট আবেদনকারী নাফিস সালমান খানের এইচএসসির নম্বরপত্র (মার্কশিট) রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

রায়ে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার (এসএসসি-এইচএসসি) নম্বরপত্র কৃতকার্য ও অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীকে দিতে হবে।

এ কে এম সালাউদ্দিন খান বলেন, ২০০১ সালের ১২ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। যাতে বলা হয়, সরকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল লেটার গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়। এ জন্য ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল লেটার গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশিত হবে। এ বিষয়ে কয়েকটি নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। যেমন, পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের কোনো বিভাগ থাকবে না। শুধু প্রতি বিষয়ে প্রাপ্ত লেটার গ্রেড ও সব বিষয়ে প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টের (জিপি) ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীর গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (জিপিএ) উল্লেখ করতে হবে। লেটার মার্কস ও স্টার মার্কস প্রদান ও মেধাতালিকা প্রণয়ন বা প্রকাশ ইত্যাদি প্রচলিত প্রথা থাকবে না।

এ প্রথা অনুসরণ করে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়। কিন্তু ২০১০ সালের সরকারি কবি নজরুল কলেজের এইচএসসি (বিজ্ঞান) পরীক্ষার্থী নাফিস সালমান খান তার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। এতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি ফলের নম্বরপত্র চেয়ে বারবার আবেদন করলেও তাকে দেওয়া হয়নি। ২০০১ সালের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১১ সালে হাইকোর্টে রিট করেন নাফিস সালমান।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ