সিসি ডেস্ক: জাতীয় বেতন স্কেলে সবচে’বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। আর এ কারনে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছে দেশের চার লক্ষাধিক ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা।
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সবচে’ বড়ো সংগঠন ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) জাতীয় বেতন স্কেল পর্যালোচনা করে জানিয়েছে, জাতীয় বেতন স্কেলে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আগের জাতীয় বেতন স্কেলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অবস্থান ছিল দশম গ্রেডে। তাদের সঙ্গে ডিগ্রী প্রকৌশলীদের বেতন স্কেলের ব্যবধান ছিল একটি গ্রেড। এবার তা বেড়ে দু’টি গ্রেড হয়েছে।
ফলে তারাই সবচে’বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দাবী করে বাংলাদেশ পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সরকার জানিয়েছে, পূর্বের বেতন কাঠামোতে ৪ বছরে সিলেকশন গ্রেড এবং ৮ বছর ও ১২ বছরে টাইমস্কেল রহিত করা হয়েছে। এতে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো। শুধু তা-ই নয়, আগে ডিগ্রী প্রকৌশলীদের একধাপ নিচে বেতন কাঠামো থাকলেও এবার দু’ধাপ নিচে চলে গেছে।
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, বেতন কাঠামোতে ক্যাডার ও নন ক্যাডার হিসেবে দু’টি ধাপ করায় এতোদিন একই পদে চাকুরি করে এখন একধাপ নিচের বেতন-ভাতা পাবেন নন ক্যাডার কর্মকর্তারা। এই বিভাজনের ফলে বেতন কাঠামোর অস্টম ধাপে ক্যাডার প্রকৌশলীরা উন্নীত হলেও নবম ধাপে থাকবেন নন ক্যাডার কর্মকর্তারা। তাদের পরের অবস্থানে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। যার ফলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
প্রসঙ্গত: জাতীয় বেতন কাঠামোতে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহালের দাবিতে এতোদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন প্রকৌশলীরা। এ বিষয়টি বিবেচনার জন্য অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত জাতীয় বেতন স্কেলের গেজেট জারির সময়ে বিবেচনা করা হয়নি।
ইতিপূর্বে প্রকৃচি নানা দাবিতে আন্দোলন করলেও বেতন স্কেলে ক্যাডার, নন ক্যাডার বিভাজন সৃষ্টি হওয়ায় আন্দোলনও অনেকটা মুখ থুবড়ে পড়তে যাচ্ছে। আগামী ১৯ ডিসেম্বর বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারেন প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি।