• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

স্বপ্রতিভায় প্রজ্বলিত সুজানা

full_1479809393_1435652795বিনোদন ডেস্ক: আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী সুজানা জাফর খুব ভেবে-চিন্তে এগিয়ে চলেছেন তার লক্ষ্যে। প্রায় দেড় দশক আগে তিনি পা রাখেন এই মডেলিং জগতে। র‌্যাম্পে ও মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়ে তিনি আলোচনায় উঠে আসেন। এরপর ছোটপর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের হৃদয় জয় করে নেন। কিন্তু ক্যারিয়ারে মাঝখানে তিনি কিছুটা আড়ালে চলে গিয়েছিলেন। তবে ব্যক্তি জীবনের সব ঝঞ্ঝাট কাটিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই পুনরায় ছন্দে ফিরতে সক্ষম হন তিনি। তার ইচ্ছে তিনি আগামী দিনগুলোতে কাজ নিয়ে ব্যস্তত থাকতে চান। অভিনয় প্রতিভার মাধ্যমে নিজেকে তিনি জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ শিখরে নিয়ে যেতে চাইছেন। বর্তমানে সুজানা তিনটি নতুন ধারাবাহিক নাটকে কাজ করছেন। এগুলো হচ্ছে-সাজ্জাদ হোসেনের ‘নন স্টপ’, আশুতোষ সুজনের ‘এই শহরে’ এবং রুলিন রহমানের ‘রোড নাম্বার-৭, বাসা নাম্বার-১৩’। এছাড়া তিনি আরো বেশকিছু ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন। এগুলো হচ্ছে-‘গন্তব্য নিরুদ্দেশ’, ‘অপূর্বা’, ‘অতিথি পাখি’, ‘ঘোমটা’, ‘গেইম’, ‘তিনকন্যা’ ইত্যাদি। এদিকে, সুজানা দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে মানবসেবামূলক কাজে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছেন। তার এই মহৎ কাজকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন। সুজানা প্রতি শুক্রবার নিয়মমাফিক প্রতিবন্ধী আবাসন কেন্দ্রে গিয়ে প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। তাদের নানাভাবে সহযোগিতাও করছেন। সম্প্রতি সুজানা তার ফেসবুক পেজে প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে অনেকেই ইতিবাচক কমেন্টস করেছেন। সুজানা বলেন, ‘আমি এখন ওদের পরিবারের একজন হয়ে গেছি। বন্ধুদের মতো ওদের সঙ্গে মিশি, আড্ডা দেই। এছাড়া একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়াও করি। এতে ওরা যে কী খুশি হয়, তা বলে বুঝানো যাবে না। ওদের মুখের হাসি দেখে নিজের মধ্যে দারুণ একটা ভালোলাগা কাজ করে। এক কথায়, মহৎ কাজের মধ্যে সত্যিকারের মানবিক প্রশান্তি পাওয়া যায়। আমি অন্যদেরও এ ধরনের কাজে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ