রাজশাহী : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে। ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর মু. এন্তাজুল হক।
প্রফেসর মু. এন্তাজুল হক জানান, শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মুহ্ম্মদ মিজানউদ্দিনের সভাপতিত্বে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী ভর্তি পরীক্ষায় ২০১৬ সালে পাস করা শিক্ষার্থীরাই শুধু অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে যারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন তারা আর (সেকেন্ড টাইম) ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য প্রফেসর ড. আমজাদ হোসেন বলেন, অনেকে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে পাশাপাশি বসে ওএমআর শিট পরিবর্তন করে অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেয়। এর আগে অনুষদের কমিটিতে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে হাইকোর্টে করা রিট খারিজ হওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় চিন্তা করে শনিবার বিকেলে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার অংশ নেওয়ার সুযোগ বাতিল করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ বাতিল করা হয়। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সুযোগ এ বছরও বহাল ছিল।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল করা হলে আন্দোলনে নামে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিটও করেন তারা। তবে তা খারিজ হয়ে যায়।