সিসি নিউজ: নীলফামারীর সৈয়দপুরে আগুনে ২টি পরিবারের ৬ টি সেমিপাকা ঘর পুঁড়ে ছাই হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে শহরের গোলাহাট এলাকায় ঘোড়াঘাট কবরস্থানে রোড়ে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। আগুনে ওই পরিবার দু’টির ঘরে থাকা নগদ অর্থ, কয়েকভরি স্বর্ণালংকার, মূল্যবান কাপড়-চোপড়, আসবাবপত্র,ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীসহ ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মিভূত হয়েছে। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় দমকল বাহিনীর কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থানে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও দমকলবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক পৌঁণে একটার সময় ওই এলাকার মনজুর আলমের বাড়ির বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত তা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই গৃহকর্তার ৪টি সেমিপাকা ঘর এবং পাশের মো. আরমানের ২টি সেমিপাকা ঘরসহ সর্বস্ব পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। আগুনে ওই পরিবার দু’টি নগদ ৩৫ হাজার টাকা, বেশ কয়েক ভরি স্বর্ণালংকার,মূল্যবান কাপড়-চোপড়, আসবাবপত্র, টিভি, ফ্রিজসহ ঘরে থাকা যাবতীয় জিনিসপত্র ভস্মিভূত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা পরণের কাপড় ছাড়া কোন কিছু রক্ষা করতে পরেননি। আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে পার্শ্বের রওশন আরা ও রিয়াসাতের দুইটি ঘরও ভেঙ্গে তাক্ষণিকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। আগুনে ঘরের সবকিছু চোখের সামনে পুঁড়ে ছাঁই হয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে গোটা এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে।
সৈয়পুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. জাকির হোসেন সিসি নিউজকে জানান, মোবাইল ফোনে আগুনে খবর পাওয়া মাত্র দ্রুত অগ্নিকান্ডস্থলে ছুঁটে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
আগুনের খবর পেয়ে সৈয়দপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. শফিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার দুটির তালিকা তৈরি করেছেন। তাদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য ওই তালিকা নীলফামারী জেলা প্রশাসক বরাবরে পাঠাানো হবে বলে জানান তিনি।