• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সসীমা ৬০ বছরই থাকল

pmসিসি নিউজ : সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করার প্রস্তাব নাকচ করেছে মন্ত্রিসভা। ফলে আগের ৬০ বছরের বয়সসীমা বহাল থাকল মুক্তিযোদ্ধাদের। এই বয়সসীমায় অবসরে যেতে হবে তাদের।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার বিগত সময়ে মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা দুই কিস্তিতে ৫৭ থেকে ৬০ বছরে উন্নীত করে। তাই বয়স বাড়ানোর বিষয়টি আজকের কেবিনেটে বিবেচিত হয়নি। ২০১৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ৯ নম্বর আইনে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছরে উন্নীত করা হয়েছে।’

সচিব আরো বলেন, ‘ ৬৫ বছর পর্যন্ত বয়স বাড়ানো সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক কেবিনেটে উত্থাপনের জন্য গত বছরের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি রায়ের নির্দেশনা ছিল। সে অনুযায়ী প্রস্তাবটি তোলা হয় আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে। আলোচনা শেষে প্রস্তাবটি নাকচ করে দেওয়া হয়।’

বয়স বাড়ানোর কোনো নির্দেশনা আদালতের ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ধরণের কোনো নির্দেশনা ছিল না। তবে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশনা ছিল।’

এর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পত্র দেয়। তাদের এই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২০০৬ সালের ১২ জুলাই এক স্মারকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীত করার প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের অনুশাসন দেয়।

এ প্রসঙ্গে সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘পত্রটি ওই সময়ের প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন না পাওয়ায় তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন হয়নি। পরবর্তী সময়ে ওই নির্দেশনা প্রতিপালিত না হওয়ায় জনৈক মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন শিকদার ২০১৩ সালে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। এ বিষয়ে শুনানি করে আদালত রুল জারি করেন। সরকারি স্মারকের ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা কেন ৬৫ বছর করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় ওই রুলে। এদিকে আরও ৬৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা রিটে পক্ষভুক্ত হন। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে গতবছর ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্ট একটি রায় দেন। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ওই প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে উপস্থাপন করতে বিবাদী তথা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে গেলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ানো সংক্রান্ত প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আদেশ দেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ