চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে কর্মসৃজন প্রকল্পে নতুন তৈরি প্রায় ৫শত মিটার রাস্তা ও কাজের পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা। বুধবার বেলা ১২ টায় থানাহাট ইউনিয়নের ৯নং ওয়াডের মাছাবান্দা এলাকার কর্মসৃজন প্রকল্পের তৈরি রাস্তা পরিদর্শনের সময় ইউএনও সাথে এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্তকর্তা মোঃ সিরাজুদ্দৌল্লাহ, ইউপি সদস্য মশিউর রহমান, সমাজ সেবক মোক্তার হোসেন, এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে উক্ত রাস্তাটি তৈরি হওয়ায় এলাকার প্রায় কয়েকশত লোকের যাতায়াতের সুবিধা হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান।
শিক্ষককে মারধর এলাকায় উত্তেজনা
কুড়িগ্রামের চিলমারী সীমান্ত একটি স্কুলের সহকারী শিক্ষককে মারধর, ইভটিজিং, হাতাহাতি, এলাকায় উত্তেজনা। পাল্টা পাল্টি অভিযোগ। শিক্ষার কার্যক্রম ব্যাহত। কমে গেছে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি।
জানা গেছে, চিলমারী সীমান্ত দক্ষিন সাদুল্যা ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের সাথে তিন সহকারী শিক্ষকের দীর্ঘদিন থেকে বিবাদ চলে আসছিল এবং প্রধান শিক্ষক কতৃক সহকারী শিক্ষিকা ইভটিজিং এর শিকার এর অভিযোগ উঠার সাথে সাথে সহকারী শিক্ষকা কতৃক প্রধান শিক্ষক লাঞ্চিত হওয়ায়ও অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে দফায় দফায় স্কুলে শালিস হয়ে আসছিল। এরই জের ধরে ১৮ জানুয়ারী প্রধান শিক্ষকের সাথে সহকারী শিক্ষকদের ঝগড়া হয় এসময় প্রধান শিক্ষকের ইনধনে এলাকায় কতিপয় মহিলা সহকারী শিক্ষক মোজাম্মেল হককে মারধর করে এবং দুই সহকারী শিক্ষিকাকে অকট্য ভাষায় গালি দেয় বলে জানান সহকারী শিক্ষিকা নাজমা বেগম। সহাকারী শিক্ষিকা মোছাঃ হালিমা বলেন প্রধান শিক্ষক স্কুল চলাকালিন প্রায় সময় আমাকেও খারাপ কথা বলে (ইভটিজিং) করে। তিনি আরো বলেন প্রতিবাদ করতে গেলে এলাকায় তার পরিচিত কতিপয় মহিলা দিয়েও আমাদেরকে লাঞ্চিত করে। তবে প্রধান শিক্ষক তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অশিকার করে বলেন তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে বরং সহকারী শিক্ষকা নাজমা বেগম আমাকে মারধর সহ লাঞ্চিত করেছে। শিক্ষক মোজাম্মেল হক জানান মঙ্গলবার রাতে সব বিষয়ে সমাধান হয়েছে। এব্যাপারে উলিপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার তফিকুল রহমানের সাথে তার মুঠোফোন ০১৭১৫১৩৪৬১০ নাম্বারে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এদিকে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হতে বসায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সাথে সাথে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে। এলাকাবাসী শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার সাথে সাথে উক্ত প্রধান শিক্ষকসহ সকল সহকারী শিক্ষকদেরও বদলীসহ শাস্তিও দাবি জানান।