• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চিরিরবন্দরে ঘোড়া দিয়ে মই চাষ করে স্বাবলম্বী মানির

IMG_20160131_075627মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: এতদিন মানুষ জানতে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগীতার কথা ও ঘোড়ার গাড়ীর সৌখিনতার কথা। কিন্তু বর্তমানে ঘোড়া দিয়ে ইরি বোরো জমিতে মই চাষ করার খবরও পাওয়া গেছে।
দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের মৃত বছো ফকিরের ছেলে মো. মানির উদ্দীন মোল্লা তার ঘোড়ার মাধ্যমে মই দিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন। এতে তিনি নিজে স্বাবলম্বীও হয়েছেন।
বছর খানেক আগে ১২ হাজার টাকা দিয়ে তিনি একটি ঘোড়া কিনেন। তারপর থেকে ঘোড়াটিকে সোয়ারী হিসেবে গড়ে তোলেন। ইতিমধ্যে তিনি তার ঘোড়া দিয়ে বিভিন্ন ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে দু’বার দ্বিতীয় পুরুস্কার হিসেবে একবার ঘড়ি ও একবার মোবাইল ফোন পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি নতুন চিন্তায় তার ঘোড়া দিয়ে মানুষের ইরি বোরো জমিতে মই দিচ্ছেন। এতে করে বিঘা প্রতি ১শ’ টাকা করে নেন।
মানির উদ্দিন মোল্লা জানান, প্রতিদিন সকাল ৮টায় বাড়ী বের হন। সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের সময় বাদ দিয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রতিদিনই ১২Ñ১৫ বিঘা জমিতে মই দিতে পারেন তিনি। এতে করে তার ১২-১৫ হাজার টাকা আয় হয়। প্রতিদিন তার ঘোড়ার খাদ্য বাবদ ২০০Ñ২৫০ টাকা খরচ হয়। তিনি আরো জানান, প্রতিনিয়তই তার ঘোড়ার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তিনি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরো একটি ঘোড়া কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং আগামীতে ঘোড়ার মই চাষকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বর্তমানে কৃষকেরা যেখানে জমিতে কলের লাঙল দিয়ে জমি চাষ করে থাকেন, সেখানে মই দেয়া নিয়ে কৃষকেরাও রয়েছেন মহাবিপদে। এহেন পরিস্থিতিতে মানির উদ্দিনের এ পেশায় অনেকটায় স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার কৃষকেরা। তিনি জানান, ইতি মধ্যেই চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ১২৫ বিঘার মতো জমিতে মই দিয়েছেন। আরো ২০০ বিঘার মতো জমিতে মই দিতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ