• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

২০১৪ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ায় ৮ জনকে অব্যাহতি

গোপালগঞ্জগোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া এস কে সরকারি কলেজ ও সদর উপজেলার সাতপাড় বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলিত উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২০১৪ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ায় দুই কেন্দ্র সচিবসহ ৮ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
পুরনো প্রশ্নে ভালো পরীক্ষা দিতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দুই কেন্দ্রের ৮১ জন পরীক্ষার্থী।
জানা গেছে, সোমবার পরীক্ষার প্রথম দিনে রামদিয়া এস কে সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৭৯ শিক্ষার্থী ২০১৪ সালের সিলেবাস অনুযায়ী করা সৃজনশীল প্রশ্নপত্রেই (বাংলা ১ম পত্র) পরীক্ষা দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মো. জয়নদ্দিনসহ ৬ শিক্ষক আজিজ বিন খোরশেদ, পার্থ বিশ্বাস, সুজন মন্ডল, ছবি রানী বিশ্বাস ও গুরুপদ হীরাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই কেন্দ্রে উপজেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একই প্রশ্নে সাতপাড় বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলিত উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের সচিব মামুন বিশ্বাস ও হল সুপার দুলাল চন্দ্র মজুমদারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
রামদিয়া এস কে সরকারি কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী সিতারামপুর এম এইচ উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী সুমি খানম জানান, ইচ্ছা ছিল, ভালো ফল করব। কিন্তু প্রশ্ন কমন না পড়ায় এখন পাশ করা নিয়েই দুশ্চিন্তায় আছি। আমিসহ অন্য পরীক্ষার্থীরা কর্তব্যরত শিক্ষককে জানালেও তিনি বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
এ ব্যাপারে রামদিয়া এস কে সরকারি কলেজ কেন্দ্র্রের সচিব মো. জয়নদ্দিন বলেন, কেন্দ্রের ২৪১ ও ২৪২ নম্বর কক্ষে এ সমস্যা হয়েছে। প্রশ্নপত্র বিন্যাস করার সময় এ ঘটনা ঘটে।
এ উপজেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় ছয়জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমাকে ওই কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ