• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নাশকতার মামলায় ১৫ জনের যাবজ্জীবন

কারাদন্ডরাজশাহী : নাশকতার মামলায় ১৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।এ ছাড়া ১৩ জনকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে তিন মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর খালাস দেওয়া হয়েছে ৩২ আসামিকে।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক গোলাম আহমেদ খলিলুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর আসামিরা নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ফকিরতলা এলাকার একটি বেইলি ব্রিজের তিনটি পাটাতন উপড়ে ফেলে। এর ফলে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এসময় আসামিরা কয়েকটি ককটেল ও হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ওই দিনই সদর থানায় মামলা দায়ের করেন থানার এসআই ফারুক হোসেন। মামলার এজাহারে ৪০ জন আসামি থাকলেও ২০১৪ সালের ৩ জুন চার্জশিটে আসামি করা হয় ৬০ জনকে। ২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর মামলাটি রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত একজন এবং পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত ১০ জন। বাকি ১৭ আসামি পলাতক রয়েছেন।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-সিরাজগঞ্জ সদর থানার চক ব্রহ্মণগাঁতী গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মিজানুর রহমান, খলিশাকুড়া গ্রামের মালেক মাওলানার ছেলে কাইউম মুন্নি, খলিশাকুড়া খিচুড়িপাড়া গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে মোকলেসুর রহমান, আনোয়ার হোসেনের ছেলে রিয়াজ হাসান রাজু, চন্দ্রকোনা গ্রামের গোলাম কাদেরের ছেলে চাঁন মিয়া শেখ, আবুল কামলামের ছেলে শাহ আলম, চরছনগাছা গ্রামের শহিদের ছেলে সুমন, সুলাইমান শেখের ছেলে হামিদ, ঘোড়াচড়া এলাকার আজিজুল সরকারের ছেলে মোমিন, আমলাপাড়া এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে আবু সাইদ সুইট, নতুন ভাঙাবাড়ি দক্ষিণপাড়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে সবুজ, জারিলা পোড়াবাড়ি এলাকার সুজাবদ আলীর ছেলে আনিসুর রহমান, পূর্ব মোহনপুর এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে আব্দুল আলিম ওরফে ডাকাত আলিম, আব্দুল করিমের ছেলে বাবু ওরফে ডাকাত বাবু, ধানবান্ধি জেসি রোড এলাকার নুরুল ইসলমের ছেলে মোতালেব ওরফে তালেব। এদের মধ্যে শুধুমাত্র হামিদ রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন।
পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শিলন্দা এলাকার মোসলেমের ছেলে শফি, হোসেনপুর বউবাজার এলাকার গুটু শেখের ছেলে হাকু, আমলাপাড়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে আলমগীর আলম ওরফে প্যাটেল আলম, দৌলতপুর খোকশাবাড়ি এলাকার মৃত রাকিব উদ্দিন শেখের ছেলে জুরান আলী, একডালা শহর এলাকার জয়েনউদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে লুৎফর ভূইয়া, পুরাতন শৈলাবাড়ি এলাকার মৃত আজাহার আলীর ছেলে বাবুল শেখ, হাটসারটিয়া এলাকায় আজাহার মোল্লার ছেলে সানোয়ার হোসেন, গাছাবাড়ি এলাকার মৃত মানিক চাঁদের ছেলে আলেক চাঁদ, বাইতারা এলাকার হাসেম সরকারের ছেলে ইসমাইল হোসেন, খোকসাবাড়ি হাটখোলা এলাকার মৃত ইসমাইলের ছেলে মোস্তাকিম, নুরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, ধানবান্ধি জেসি রোড এলাকার জুলমত শেখের ছেলে জিয়া হাসান ওরফে জন ওরফে জনি, আবুল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান পাপ্পু।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এন্তাজুল হক বাবু এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আবু মোহাম্মদ সেলিম ও পারভেজ জাহেদি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ