• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মালয়েশিয়ায় যাবেন ১৫ লাখ কর্মী

সংসদঢাকা: রিক্রুটিং এজেন্সির সহায়তায় আগামী তিন বছরে মালয়েশিয়ায় ১৫ লাখ কর্মী পাঠাবে বাংলাদেশ। এক মাসের মধ্যেই এ কার্যক্রম শুরু হবে। এ লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারকের খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই চুক্তির খসড়া অনুমোদন করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, দুই দেশের সম্মতিতে আগামী এক মাসের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক সই হবে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আগের বিটুবি (বিজনেস টু বিজনেস) এবং জিটুজি (গভার্নমেন্ট টু গভার্নমেন্ট) পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় এবার সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে কর্মী পাঠানো হবে।

‘বাংলাদেশের বড় অর্জন হলো সোর্স কান্ট্রি (যেসব দেশে থেকে কর্মী নেবে) হিসেবে বাংলাদেশেকে মালয়েশিয়া তালিকাভুক্ত করেছে। এর ফলে সেবা, উৎপাদন, নির্মাণ খাতে কর্মী পাঠানো যাবে। আগে এটা প্লানটেশনে সীমাবদ্ধ ছিল’

এই চুক্তির আওতায় কাজ নিয়ে মালয়েশিয়ায় যেতে মাথাপিছু ৩৪ থেকে ৩৭ হাজার টাকা খরচ হবে এবং এই টাকা নিয়োগকর্তাই বহন করবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির বড় বাজার মালয়েশিয়া। বর্তমানে প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালে জি টু জি পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে শুরু করে মালয়েশিয়া। সে অনুযায়ী শুধু সরকারিভাবে মালয়েশিয়ার ‘প্ল্যান্টেশন’ খাতে শ্রমিক পাঠানো হচ্ছিল।

কিন্তু ‘প্ল্যান্টেশন’ খাতে কাজ করতে আগ্রহীর সংখ্যা কম হওয়ায় ওই উদ্যোগে আশানুরূপ সাড়া মেলেনি। সে সময় প্রতি ছয় মাসে ৫০ হাজার শ্রমিক পাঠানোর লক্ষ্য ঠিক হলেও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) হিসেবে গত তিন বছরে পাঠানো হয়েছে মাত্র সাত হাজার শ্রমিক।

এরপর জিটুজি পদ্ধতি সংস্কার করে এতে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। একেই বলা হচ্ছে জিটুজি প্লাস।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) কর্মী পাঠানোর জন্য ইতোমধ্যে আগ্রহীদের যে তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে, সেখান থেকেই বাছাই করে বিটুবি-এর মাধ্যমে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া।

প্রত্যেক শ্রমিককে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে, এরপর তিনি আরো একবছর কাজ করার সুযোগ পাবেন।

এই প্রক্রিয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে স্বচ্ছতার জন্য কিছু নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার শুরুতে মালয়শিয়া সরকার নিয়োগকর্তার সক্ষমতা ও চাহিদা যাচাই করে চাকরির সব সুবিধা নিশ্চিত করবে। তাতে মধ্যসত্ত্বভোগীদের কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।

নতুন পদ্ধতিতে কর্মীদের বেতন কত হবে তা না জানালেও মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কর্মীদের বেতন সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পরিশোধ করা হবে। নিয়োগ কর্তৃপক্ষকে ঢাকায় মালয়শিয়া হাই কমিশন থেকে সত্যায়িত হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ