• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খুলনায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভাঙচুর

ভাংচুরখুলনা : ফেসবুকে অসুস্থ ব্যক্তির ছবি দিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য প্রচার করায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল খুলনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার রাতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মনিরুজ্জামান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল খায়েরসহ কয়েকজনকে লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

হাসপাতাল সুপার ডা. মুজিবর রহমান জানান, রোগীকে নিয়ে ফেসবুকে লেখার কারণে তার ছেলে খুলনার থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের পরিচালক  ডা.  তারিমের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হাসপাতালে প্রবেশ করে প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষ, প্রশাসনিক দফতরের টেবিল, চেয়ার, দরজা ও ডাক্তারদের কক্ষ ভাঙচুর করে। তারা হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল খায়েরসহ কয়েকজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনায় হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রোগীরা আতংকিত হয়ে পড়েন।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের প্রাক্তন সভাপতি ও থ্রি ডক্টরস কোচিংয়ের পরিচালক ডা. তারিম জানান, গত ২২ ফেব্রুয়ারি তার বাবা জামির আলী খানকে (৯৯) ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করেন। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আবু বক্করের তত্বাবধায়নে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। ডাক্তার তাকে ইকোসহ সাতটি পরীক্ষা করতে বলেন। কিন্তু এর আগে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ থেকে ইকো ও ইসিজি করা হয়েছিল। তাই ইকো ও ইসিজি না করে পুরোনোটা দেখাবার কথা ছিল। কিন্তু ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মনিরুজ্জামান মনি বুধবার দুপুরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন-‘সুনাম ধন্য ডা. তারিমের বাবা অর্থাভাবে ইকো করাতে পারছেনা। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে। তার সাহায্যে এগিয়ে আসুন। ধিক্কার জানাই তার কুলাঙ্গার ডা. ছেলেকে’। এ ঘটনা জানার পর বুধবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে তিনি ডা. মনিকে জিজ্ঞাসা করতে হাসপাতালে গিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। কিন্তু তারা কোন সন্তোষজনক সুরাহা করেনি। এ সময় উত্তেজিত কয়েকজন হাসপাতাল ভাঙচুর করে। তবে তিনি কোনো ভাঙচুর বা কাউকে মারধর করেননি বলে দাবি করেন।

খুলনা সদর থানার এসআই আলমগীর বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হামলা ও ভাঙচুরের সত্যতা পাওয়া গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ