• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে পেটে বাঁশ ঢুকে ট্রাক চালকের মৃত্যু

মৃত্যুসিসি নিউজ: নীলফামারীতে রাস্তার ধারে ফেলে রাখা বাঁশের স্তুপে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে সড়ক। আবার কিছু বাঁশ ব্যবসায়ী রাস্তার উপর ট্রাক রেখেই বাঁশ লোড করছে ট্রাকে। আর এতেই প্রাণ গেল উজ্জল ইসলাম (৪০) নামের অপর একটি পাথর বোঝাই ট্রাক চালকের। মঙ্গলবার ভোরে নীলফামারীর ডোমার সড়কের ধরনীগঞ্জ নামকস্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মৃত ট্রাক চালক উজ্জল ইসলাম (৪০) পঞ্চগড় জেলার জগদল গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায় পাথর বোঝাই ট্রাকটি (ঢাকা-ট-১৪-৮৩৯৩) পঞ্চগড়ের জগদল থেকে নীলফামারীর ইপিজেডে আসছিল। একই মুখে যাওয়ার জন্য রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে ছিল বাঁশ বোঝাই ট্রাক (খুলনা মেট্রো-ট-১১-১০৫৭)। এ সময় পাথর বোঝাই ট্রাকের চালক  নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা বাঁশ বোঝাই ট্রাকটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ট্রাকে রাখা বাঁশ পাথরের ট্রাকের গ্লাস ভেঙে চালকের পেটে ঢুকে যায়। ফলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নীলফামারী ও ডোমারের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বাঁশ কেটে নিহত চালকের মৃতদেহ ট্রাকের ভেতর থেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়। ওই সময় এই সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক রিয়াজুল ইসলাম তরফদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ডোমার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন জাগো নিউজকে জানান, চালকের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য জেলার মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় যে ব্যক্তি সড়কের উপর ওই বাঁশ রেখেছিলেন তার বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি করা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর বিভিন্ন সড়কের উপর ট্রাক দাঁড় করিয়ে মালামাল উঠানামা করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো সাধারণ মানুষদের লাঞ্চিত করা হয়। ফলে আর কেউ প্রতিবাদ করতে পারেনা। এক্ষেত্রে পুলিশও পালন করে নিরব ভূমিকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ