দিনাজপুর প্রতিনিধি : একাত্তরের ২৩ মার্চ দিনাজপুরের কোতয়ালী থানায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে জাগপা সভাপতি ও ২০ দলীয়জোট নেতা শফিউল আলম প্রধান মূলত দিনাজপুরবাসিকে গর্বিত করেছিলেন। সেদিনের সেই স্ফুলিঙ্গ সমগ্র দিনাজপুরে দাবানলের সৃষ্টি করে যা পর্যায়ক্রমে সালোক সংশ্লেষেণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দিনাজপুরে গেরিলা যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও এই দিবসটিকে স্মরনের মধ্য দিয়ে আজ জেলা জাগপা ছাত্রলীগ মূলত স্বাধীনতার মাসে সকল শহীদ ও বিরঙ্গনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছে। আমরা গর্বিত কারণ এই শফিউল আলম প্রধান তাঁর তারুণ্য দিয়ে সেদিন যে ঘটনা সংগঠিত করেছিল তা স্বাধীনতার ইতিহাসে অমর-অক্ষয় হয়ে থাকবে।
বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে জেলা জাগপা ছাত্রলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় জেলা জাগপার নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। জেলা জাগপা ছাত্রলীগের আহবায়ক রুবেল ইসলাম’র সভাপতিত্বে ও আবু হোসেন সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জাগপার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাড. নুরুন নবী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জাগপার সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান খোকন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাগপা নেতা মো. আব্দুর রহমান, অরুন কুমার মোহন্ত, মো. রেজাউল ইসলাম রেজা, মো. খলিলুর রহমান, যুব জাগপা নেতা সৈয়দ ইমরুল কায়েস রুপম, মহিলা জাগপা নেত্রী জান্নাতুস সাফা শাহীনুর, জাগপা ছাত্রলীগ নেতা মো. শফিক, প্রিন্স, আল আমিন, আব্দুল আজিজ প্রমূখ।
বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে যে চেতনা নিয়ে জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামে উজ্জীবিত হয়েছিল বর্তমান হাসিনার সরকারকে উৎখাতে সেই চেতনা নিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কারণ স্বাধীনতা অর্জনের মতই স্বাধীনতা রক্ষা করা জাতীয় দায়িত্ব। বক্তারা বর্তমান স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারকে উচ্ছেদের কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন। কারণ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকলে জাতির অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মূখিন হবে।