• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মহানবীকে নিয়ে মিশরীয় মন্ত্রীর ধৃষ্টতা

4141আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মহানবী  সা.কে  নিয়ে চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্য করেছেন মিশরের বিচারমন্ত্রী। তিনি  মহানবীকেও ‘গ্রেপ্তার’ করার কথা বলেছেন। মন্ত্রী আহেমদ আল-জেন্দের এ মন্তব্যে অনলাইনে নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

আলজাজিরা জানায়, একটি বেসরকারি টিভির আলোচনা সভায় জেন্দকে জিজ্ঞাসা করা হয়: সাংবাদিকদেরও তিনি গ্রেপ্তার করবেন কিনা।

‘মহানবী সা. হলেও’ বলে ফেলেন জেন্দ। তবে তিনি এরপর দ্রুত নিজেকে সামলে নেন এবং বলেন অপরাধ পাওয়া গেলে যে অবস্থানেই থাকুক না কেন গ্রেপ্তার করা হবে।

‘এমনকি বিচারকদেরও কারাবন্দি করা হয়। কোনো সাংবাদিক কিংবা শিক্ষককে কারাবন্দি করার বিষয় নিয়ে আমি আলোচনা করব না, আমি অভিযুক্তকে কারাবন্দি করার কথা বলছি, আমি তাদের কোনো টাইটেল দিতে  চাই না,’ বলছিলেন জেন্দ।

অনলাইনে জেন্দের এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে।

আরবিতে ‘ মহানবী নয়, আল-জেন্দের বিচার চাই’ নামে একটি হ্যাশট্যাগ এবং তার বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে শেয়ার হচ্ছে।

জেন্দের পদত্যাগের জোর দাবি উঠেছে।

মিশরে ইসলামী শিক্ষার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান আল-আজহার কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতি দিয়ে বলেছে, মহানবী সা. সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য ভুলেও দেয়া যায় না।

চরম সমালোচনার মধ্যে জেন্দ নিজেই একটি টেলিভিশন টক শোতে টেলিফোন করেন এবং দাবি করেন তিনি কোনো অন্যায় করেননি।

‘আমি বলেছি ‘যদি’- যারা এই শব্দটির মানে জানেন তারা জানেন যে এটি অনুমাননির্ভর কথা… এ মন্তব্যের কোনো  মানে নেই- তা সত্ত্বেও আমি আমার খাঁটি ধর্মীয় অনুভূতি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অনুতাপ প্রকাশ করেছি।’

জেন্দ অভিযোগ করেন মুসলিম ব্রাদারহুড তার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে এবং মিশরীয় গণমাধ্যম এবং সামাজিক গণমাধ্যম তাদের বিদ্বেষপ্রসূত প্রচারণার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

গত জানুয়ারিতে মিশরের কয়েক সেনা সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হলে জেন্দ বলেন, নিহত সেনাদের হত্যার প্রতিশোধে ৪ লাখ ব্রাদারহুড কর্মী খতম না করা পর্যন্ত তার বুকের আগুন নিভবে না।

মিশরের বর্তমান স্বৈরশাসক আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি ২০১৩ সালের জুলাইয়ে বন্দুকের নলের মাথায় ক্ষমতা দখলের পর থেকে দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপর আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বর হত্যাযজ্ঞ চাপিয়ে দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ