গাজীপুর: গাজীপুরে কিশোরীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতাসহ তিন বখাটের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার দুপুরে স্থানীয় কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে অভিযুক্তদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, নগরীর ৮ নং ওয়ার্ডের কোনাবাড়ী পারিজাত এলাকার ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ (২৮), একই ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতা শহীদ (২৬) ও স্থানীয় লন্ড্রি মালিক সুজন (৩০) এবং এ ঘটনার সহযোগি মুক্তা (৩০)।
কিশোরীর মা জানান, তারা স্থানীয় হরিণাচালার আমতলায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সম্প্রতি লন্ড্রি মালিক সুজন তার কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু আগে বিয়ে করায় এবং সন্তান থাকায় সুজনের কাছে মেয়েকে দিয়ে দিতে রাজি হননি তারা।
তিনি বলেন, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা শহীদ ও নাহিদের মাধ্যমে ফের বিয়ের প্রস্তাব দেন সুজন। কিন্তু আমরা রাজি হইনি।
‘এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কথা আছে বলে আমার মেয়েকে স্থানীয় মুদি দোকানি মুক্তা বেগম ডেকে সুমন নামে এক ব্যক্তির বাসায় নিয়ে যান। পরে সেখানে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। দুইদিন আটকে রেখে নির্যাতন করার পর শনিবার কিশোরীটিকে ছেড়ে দেয় তারা।’
কিশোরীর মা আরো বলেন, মেয়েকে না পেয়ে বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর মো. সেলিম রহমানকে জানানো হয়। এক পর্যায়ে মেয়ে এলে ঘটনাটি আমাদের জানায়। পরে পুলিশকে জানালে পুলিশ ওই তিনজনসহ এক নারীকে আটক করে।
জয়দেবপুর থানার ওসি খন্দকার রেজাউল হাসান জানান, ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন ধর্ষক ও এক নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী থানায় একটি মামলা করেছেন বলে জানান তিনি।