• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

চিলমারীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমীর স্নান সম্পন্ন

chilmari photo-n-14-4-16হাবিবুর রহমান, চিলমারী: কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র অষ্টমী স্নান শুরু হয়েছিল। ভোর থেকে স্নান শুরু হলেও এবারে লগ্নের সময় ছিল সকাল ৭টা ৩০ মিনিট ১ সেকেন্ড থেকে ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। প্রায় ৫লাখ পূণ্যার্থীর পদম্ভে মূখরিত হয়ে উঠেছে চিলমারীর ব্রহ্মপুত্রের পাড়ের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা। হে মহা ভাগ ব্রহ্মপুত্র,হে লৌহিত্য, তুমি আমার পাপ হরণ করো। মন্ত্র উচ্চারণ করে পূণ্যার্থীরা কৃপা চান ব্রহ্মার। স্নান উৎসবে মেতে উঠেন পূণ্যার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পূণ্যার্থীরা ভিড় জমান চিলমারী বন্দর ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে সড়ক পথে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, নচিমনে, অটোতে ও মোটরগাড়ি করে। নদী পথে ট্রলার ও নৌকাযোগে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে পূণ্যার্থীরা সমবেত হন চিলমারী বন্দর ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে। উৎসব কমিটির নেতারা বলেন প্রতি বছরের মত এবারও ভারতসহ ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক পূণ্যার্থী যোগ দিয়েছেন স্নান উৎসবে। তারা আরো জানান তবে ¯œান উৎসব যদি বুধবার পরে তখন ভারত ও নেপাল থেকে বেশি সংক্ষক হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা আসেন। কোন নির্দিষ্ট ঘাট না থাকায় উমুক্ত স্নানঘাটের মাধ্যমে পূণ্যার্থীরা স্নানপর্ব সম্পন্ন করেছেন। স্নান উৎসবকে কেন্দ্র করে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দুইদিন ব্যাপী লোকজ মেলা। স্নান উপলে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান পূণ্যার্থীদের কল্যাণে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে নানা পদপে নেওয়া হয়েছে। গোসলের পর নদীর কিনারায় ঘাটের পাশেই নারী দের কাপড় বদলানোর জন্য বুধের ব্যাবস্থা করা হয়েছিল। টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় ৩০/৪০টি ধর্মীয় সামাজিক ও সেবা মূলক সংঘঠন ক্যাম্প খোলা হয়েছে। এসব ক্যাম্প থেকে পূণ্যার্থীদের রান্না করা খাবার ও চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও নিয়ন্ত্রণক খোলা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপির পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করাসহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশী পাহাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অপর দিকে স্নান উৎসব উপলে উপজেলা চেয়াম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ শওকত আলী সরকার বীর বিক্রমসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ স্নান উৎসব কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। কথা হয় স্নান দিতে আসা শ্যামল কুমার বম্মর্ন, শ্রী লতা রানী, বুদ্ধবেদ চক্রবত্ত্বি, সহ অনেকের সাথে তারা অভিযোগ করে বলেন গতবারের চেয়েও এবারের অবস্থা কিছুটাও হলে ভালো হয়েছে তবে গোছলের জন্য নিদিষ্ট কোন ঘাট না থাকায় কিছুটা সমস্যাও হচ্ছে। স্নান উৎসব কমিটির আহবায়ক দিনেশ চন্দ্র দাম জানান দেশ-বিদেশের প্রায় পাঁচ/ছয় লাখ পূণ্যার্থী স্নান উৎসবে যোগ দিয়েছে বলে তারাঁ আশা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ