• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

পীরগঞ্জ নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

সংঘর্ষপীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় ৭নং হাজীপুর ইউনিয়নে গত শনিবার ইউ’পি নির্বাচনে জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমান (বিজয়ী) ও আ’লীগ প্রার্থী জয়নাল আবেদীন (পরাজিত) হলে উভয়ের মধ্যে উক্ত দিন ধরে ছিটেফটা মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় উক্ত দিন থেকে পরিবেশ উত্তপ্ত থাকে। মঙ্গলবার বিজয়ী প্রার্থী ও তার লোকজন দুপুরের দিকে সাটিয়া এলাকায় বিজয় মিছিল ও আনন্দ উল্লাস করে। এক পর্যায়ে সাবেক ইউ’পি চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশ দিয়ে মিছিলটি প্রদক্ষিণের সময় উভয় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। তাৎক্ষণিক বিজয়ী প্রার্থী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাটি ব্যাপক আকার ধারণ করে।  এ নিয়ে কয়েক ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষ চলা কালে উভয়ের পক্ষের প্রায় শতাধিক লোকজন গুরুতর আহত হয়। আহতদের মধ্যে ৫৬ জনকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ভর্তি করা হয় এবং এদের মধ্যে গুরুতর ৪ জনকে অন্যত্রে রেফার্ড করে। খোজ নিয়ে জানা যায় উপজেলার ৭নং হাজীপুর ইউনিয়নের জাপা’র নবনির্বাচিত ইউ’পি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান তার নেতা কর্মীদের পরামর্শে মঙ্গলবার বিজয় মিছিল বের করার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক জমায়েত করেন। দুপুর ১টায় কয়েক’শ সমর্থকদের নিয়ে বিজয় র‌্যালী বের করেন। বিজয় মিছিল দহগা গ্রামের পাকা সড়কের কাছে পৌঁছা মাত্রই পরাজিত জয়নাল আবেদীনের লোকজন মিছিলটিতে বাধা প্রদান করে। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ওই সময় সুয়োগ সন্ধানি কিছু দুর্বৃত্তরা  এলকার কয়েকটি বাড়িতে ভাংচুর ও হামলা চালায়।  এতে উভয়ের মধ্যে শতাধিক ব্যাক্তি গুরুতর আহত ও জখম হয়। এদের মধ্যে কামরুজ্জামান, লুৎফর রহমান, পবেদা খাতুন ও রিপু আক্তারকে মুমুর্ষ অবস্থায় অন্যত্র মেডিকেলে রেফার্ড করে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, থানা পুলিশ ও ঠাকুরগাঁও থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থালে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে ঐ ইউনিয়নের লোকজন মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ