• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে প্রেমিকের বাড়িতে প্রতিবন্ধী গৃহবধূর অনশন

Photo1-সিসি নিউজ: নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক বাকপ্রতিবন্ধী গৃহবধূ তার প্রেমিকের বাড়িতে ৫ দিন ধরে অনশন করছে। গত ২৪ এপ্রিল রাত থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত এ অনশন পালন করছে।
এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর দলুয়া মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত জমেতুল্লার ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী মিজানুর রহমানের সাথে বিয়ে হয় ধোলাইখাল এলাকার মোহাম্মদ আলীর মেয়ে শাহিনুরের সাথে। সংসার জীবনে তাদের ৩ সন্তান চলে আসে এবং স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভালই চলছিল প্রতিবন্ধী সংসার। এর মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় পরকিয়া প্রেম। পাশের বাড়ির মুদি দোকানদার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে জিয়ারুল শাহিনুরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতে থাকে এবং এক পর্যায়ে তার কবলে পড়ে শাহিনুর। লালসার শিকার হয়ে যায় জিয়ারুলের। প্রতিবন্ধী মিজানুর ইটভাটায় নাইট গার্ডের চাকরী করায় গভীর রাতে জিয়ারুল শাহিনুরের সাথে তার বাড়িতে অবৈধভাবে মেলামেশা করে। একদিন ধরা পড়ে মিজানুরের ভগ্নিপতি সামসুলের হাতে। দুইজনে সামসুলের হাত পা ধরে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পায়। কয়েকদিন পর পুনরায় ধরা পড়লে শাহিনুরকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় মিজানুরের পরিবারের লোকজন সংশোধনের জন্য। কিন্তু জিয়ারুল নিজেকে বাঁচাতে শাহিনুরের বাড়ি গিয়ে তার যাবতীয় দায়ভার গ্রহণের কথা বলে আদালতে নারী শিশুসহ দুইটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং পি নং ১১/১৬। ওই মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে জিয়ারুলসহ তার মনোনিত ব্যক্তিদের। আর আসামী করা হয়েছে মিজানুরের বোন, ভগ্নিপতি, ভাগিনাসহ ৭ জনের নাম। এনিয়ে গত ১১ মার্চ তিন গ্রামের লোকজন একটি সালিশ বৈঠকে বসে। বৈঠকে ১০ দিনের মধ্যে মামলা তোলার জন্য জিয়াউলকে সময় বেধে দেয়া হয়। এর মধ্যে পুলিশ মামলা তদন্ত করে মিথ্যা প্রমাণিত হয় আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন। চার্জশীট প্রদানের পর জিয়াউল শাহিনুরসহ নারাজি পিটিশন দাখিল করে। জিয়াউল কয়েকদিন শাহিনুরের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে জিয়ারুলের বাড়িতে প্রবেশ করলে জিয়াউল পালিয়ে যায়। এনিয়ে ২/৩টি বৈঠক বসলেও এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি। গত ২৮ এপ্রিল সৈয়দপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ব্যাপারে কথা হয় শাহিনুরের সাথে তিনি বলেন, জিয়ারুলের কারণে আমি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিলাম। তার সাথে আমার সম্পর্ক ছিল। সে আমার জীবন নষ্ট করেছে। আমি তার বিচার দাবি করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ