• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রংপুরের ৮ জেলায় দিনে গরম রাতে শীত!

SheetKaal-300x336সিসি নিউজ: রংপুরের প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে দাবদাহ আর শীত শীত খেলা। প্রকৃতির এমন খেলায় বিপাকে পড়েছেন সব শ্রেণি পেশার মানুষ। আক্রান্ত হচ্ছেন নানা রোগে। এ অবস্থায় চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন বাড়তি যত্ন নেবার।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, দিনে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও রংপুর থেকে হিমালয় কাছে থাকায় রাতে তা কমে যাচ্ছে। মূলত প্রকৃতিতে পরিবর্তন আসছে। দিনে গরম আর রাতে শীত শীত ভাব হওয়াটাই তার একটা কারণ।

রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর অঞ্চলের প্রকৃতিতে নানা পরিবর্তন আসছে। এর প্রভাব পড়ছে গাছ পালা, ফলমুল, কৃষি আবাদের ওপর। রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, রংপুর অঞ্চলে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হবার প্রয়োজন তা এখনো হয়নি। গত কয়েক বছর মাঝ বৈশাখ পর্যন্ত যে বৃষ্টিপাত হয়েছে সে তুলনায় এবার বৃষ্টি হয়নি, এটা নিশ্চিত করে বলা যায়। তবে যেহেতু বৃষ্টি হয়নি সেহেতু পরিমাপও করা হয়নি।

তিনি বলেন, গত চৈত্র মাস থেকে দিনের বেলায় সর্বনিম্ম ৩০ থেকে সর্বোচ্চ ৩৮/৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উঠানামা করছে। আর শেষ রাতে তাপমাত্রা হচ্ছে ২০/২২ ডিগ্রি তাপমাত্রা। এ কারণেই শেষ রাতে শীত শীত অনুভব হচ্ছে। মূলত জলবায়ুর পরিবর্তন ও হিমালয় কাছে থাকার কারণেই এই অবস্থা। তবে বৃষ্টি হলে প্রকৃতিতে শীত শীত ভাব নাও থাকতে পারে। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ দিকে দিনে গরম রাতে ঠান্ডা, প্রকৃতির এমন বিরুপ আচণে নানা রোগে ভুগছে মানুষ। বিশেষ করে জ্বর, কাশি আর ডায়রিয়া বেড়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশু এবং বয়স্করা।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের আরিফুল হক জানান, মাঝ বৈশাখে বাড়ির উঠানের ঘাসে শিশির দেখে অবাক হই। যখন কাঠফাটা রোদ তখন প্রকৃতির এমন আচরণ আমাদের অবাক করে। শেষ রাতে কখনো কখনো পাতলা কম্বল গায় দিতে হচ্ছে।

দিনাজপুরের খানসামার কৃষক কবির উদ্দিন জানান, দিনে প্রচন্ড রোদ আর রাতে শীতের কারণে ঢেঁড়স, বরবটি, শসা এবং চালকুমড়ার গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফুল হক সোহেল জানান, খরতাপে ডায়রিয়া ও আমাশয় রোগে আক্রান্ত হয়ে রোগীরা এখানে আসছেন। রোগীদের সাধ্যমত চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে এবং ওষুধ মজুদ রয়েছে বলে জানান তিনি।

রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা: জাকির হোসেন জানান, এ অবস্থা থেকে নিজেকে সুস্থ রাখতে নিতে হবে বাড়তি যত্ন। সে জন্য দিনের বেলায় বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে আর রাতের বেলায় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ