রংপুর অফিস: খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রংপুরের মাদ্রাসার ২০ ছাত্রী অসুস্থ হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে থেকে তারা অসুস্থ হওয়া শুরু হয়। অসুস্থতরা বর্তমান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন অবস্থা গুরতর। অসুস্থরা সবাই রংপুরের তাজহাটের ফাতেমা (রাঃ) কওমী বলিকা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী। গুরতর অসুস্থরা হলেন, কিতাব বিভাগের ছাত্রী সুরাইয়া (১৫), নাজেরা বিভাগের নাজমিন এবং একই বিভাগের ফাতেমা (৭)।
তাজহাট ফাতেমা(রাঃ) বালিকা কওমী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির জানান, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিন তার মাদ্রাসার ৫৬ জন ছাত্রী রোজা পালন করেছিল। শুক্রবার সকালে তারা গরম ভাতের সাথে শাক ও আলুর ভর্তা খায় ও দুপুরে মুরগীর মাংস দিয়ে ভাত খায়। বিকাল ৫টার দিকে ৫৬ ছাত্রীর মধ্যে ১৬ জন বমি ও মাথা ঘোরানো রোগে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাদের তাৎক্ষনিভাবে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন ওই মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের ছাত্রী শারমিন(১৫) জানান, তারা দুপুরে মুরগীর মাংস দিয়ে ভাত খাওয়ার পর বমি ও মাথা ঘোরানো রোগে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। একই কথা বলেন, নুরানী বিভাগের আখিমনি (৯) ও পারভিন (১৪)।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারি রেজিষ্টার্ড ডাঃ সাইদুর রহমান চৌধুরী জানান, হাসপাতালে ২০ জন মাদ্রাসা ছাত্রী বমি ও মাথা ঘোরানো রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদেরকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে।
এ দিকে খবর পেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে অসুস্থ্য ছাত্রীদের খোঁজখবর নেন রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মাহবুব উল করিম।