• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের সাথে চিকিৎসকের রূঢ় আচরণের অভিযোগ

বেগম রোকেয়ারংপুর: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নিতে গিয়ে চিকিৎসকের রূঢ় আচরণের শিকার হয়েছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার দুপুরে গুরুত্বর অসুস্থ ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স চাইতে মেডিকেল সেন্টারে গেলে সেখানে কর্মরত দন্ত্য চিকিৎসক ডা: এ. এম. শাহরিয়ার শিক্ষার্থীদের সাথে এই রুঢ় আচরণ করে বলে অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, লোক প্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মাইমুন আক্তার গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পরলে মেডিকেল সেন্টারের কর্তব্যরত চিকৎসককে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে বললে তিনি রোগিকে তাঁর কাছে নিয়ে আসতে বলেন। আমরা রোগির গুরুত্বর অবস্থার কথা তাকে অবহিত করলেও তিনি বলেন, রোগি না দেখা পর্যন্ত আমি আ্যাম্বুলেন্স দেব না। এ সময় ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করা হবে বলেও হুমকিও প্রদান করা হয়।

তবে শেষ পর্যন্ত তাঁর কথামত রোগিকে সেখানে নিয়ে আসা হলে তিনি রোগির অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে মেডিকেলে নিয়ে যেতে বলেন। পরে তার কাছে রেফারেন্স চাইতে গেলে তিনি রেফারেন্স পত্রটি ছুঁড়ে ফেলেন এবং কোন আ্যাম্বুলেন্স না দেয়ার ঘোষণা দেন। এরপর অন্য এক কর্মকর্তার মাধ্যমে গাড়ির ব্যবস্থা করে রোগিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

অভিযোগের ব্যাপারে চিকিৎসক ডা: এ. এম. শাহরিয়ারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কোনো নিয়ম না মেনেই আমার কাছে অ্যাম্বুলেন্স চাওয়া হয়। পরে আমি রোগিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলি। তবে রেফারেন্সপত্র ছুড়ে ফেলার অভিযোগ তিনি এড়িয়ে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ